ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

হামজার কাছে শিখতে চান মাহি খান

হামজার কাছে শিখতে চান মাহি খান
×
×

ছবি- বাফুফে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৫০

বয়স মাত্র ১৮। অথচ মাঠ ও মাঠের বাইরে মাহি খান বেশ পরিণত একজন ফুটবলার। সবুজ গালিচায় আক্রমণভাগে যেমন দুর্দান্ত, তেমনি করে মাঠের বাইরে কথাতেও পরিপক্ব এ ফুটবলার। বাবা-মায়ের বাড়ি সিলেটে হলেও মাহির জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন। হামজা চৌধুরী যখন লেস্টার সিটিতে ছিলেন, তখন থেকেই তাঁর খেলা দেখে এসেছেন মাহি। শৈশবের স্বপ্নের নায়ককে এবার বাংলাদেশ দলে সতীর্থ হিসেবে পাচ্ছেন। অভিজ্ঞ হামজার কাছ থেকে শিখতেও চান মাহি। 

৫-১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য গতকাল সোমবার মাঠের প্রস্তুতি শুরু করেছে থমাস ডুলির দল। তপু বর্মন-মিতুল মারমাদের সঙ্গে সোমবার অনুশীলনও সেরেছেন। সেখানেই নিজের স্বপ্নের কথাগুলো এভাবে বলেছেন মাহি খান, ‘আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। ছোটবেলা থেকেই লেস্টার সিটিতে হামজার খেলা দেখে আসছি, কারণ লেস্টার আমাদের বাসার কাছেই। সেই ছোটবেলা থেকে যাঁকে দেখে বড় হয়েছি, এখন তাঁর সঙ্গে একই দলে খেলার সুযোগ এসেছে– এটি আমার জন্য বিশাল এক সম্মানের ব্যাপার। তিনি শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে খেলেছেন এবং অভিজ্ঞ। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পাব।’

মাহির ফুটবল শুরু কেটারিং টাউনের যুব দলে। সেখানে সাত বছর কাটানোর পর ২০২৪ সালে রাশডেন অ্যান্ড হাইয়াম ইউনাইটেডের সিনিয়র দলে খেলা শুরু করেন। বর্তমানে ইংল্যান্ডের নবম স্তরের লিগ প্রিমিয়ার ডিভিশন সাউথের দল মল্টন এফসিতে খেলছেন। মল্টনের হয়ে সাত ম্যাচে ৯ গোল করে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন এরই মধ্যে। জাতীয় ফুটবল দলে অনেক দিন ধরেই বড় সংকট নাম্বার নাইন। সেই সংকট পূরণ করার জন্য অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলা রোনান সুলিভান ও মাহি খানকে দলে নিয়েছেন ডুলি। 

প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা মাহির জন্য একটু বেশিই রোমাঞ্চকর। কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে মুখিয়ে আছেন তিনি, ‘আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত (দলে জায়গা পেয়ে)। মাত্র ১৮ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো জাতীয় সিনিয়র দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছি। এতে আমি যেমন গর্ববোধ করছি, তেমনি আমার পরিবারের সবাই ভীষণ খুশি। এখন আমাদের কঠোর পরিশ্রম করার সময় এবং ইনশাআল্লাহ আমরা সাফ শিরোপাও জিতব।’ 

শিরোপা জিততে হলে বাংলাদেশকে গোল করতে হবে। স্কোরিংয়ের যে সমস্যাটা পুরোনো। তরুণ মাহি বুঝেছেন গোল করার দায়িত্বটা তাঁকেই নিতে হবে, ‘আমি পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী। এখানে ক্যাম্পে আসার আগেও ব্যক্তিগতভাবে অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। তাই ইনশাআল্লাহ আমি গোল করতে পারব। কোচ আমার কাছে কী প্রত্যাশা করছেন, তা আমি স্পষ্ট জানি।’

আরও পড়ুন

×