ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ভেট্টরির বিশ্বাস স্পিনাররা ভালো করবে

ভেট্টরির বিশ্বাস স্পিনাররা ভালো করবে
×

ছবি: এএফপি

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কলকাতা টেস্ট

প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ০১:৩৯

টাইগার ক্রিকেটারদের মতো দিবারাত্রির টেস্ট নিয়ে রোমাঞ্চিত তাদের কোচিং স্টাফরাও। বুধবার ইডেন গার্ডেনসে সাংবাদিকদের সামনে আসা টাইগারদের স্পিন বোলিং পরামর্শক ড্যানিয়েল ভেট্টরির কথাতেই ধরা পড়ে ইডেন টেস্ট নিয়ে তার সব কৌতূহল

গোলাপি বলের চ্যালেঞ্জ

দিনের আলোয় গোলাপি বল অন্য সময়ের মতোই স্বাভাবিক। তবে চ্যালেঞ্জটা হবে ফ্লাডলাইটের আলোয়। এখানে (কলকাতা) আগেভাগে সন্ধ্যা নেমে আসে। গোলাপি বলের প্রভাব ওই সময় বেশি থাকবে। দলগুলোর কৌশলে ভিন্ন কিছু যোগ হতে পারে। আমার মনে হয়, ফ্লাডলাইটের আলোয় শেষ সেশনে এর বিশেষ ভূমিকা থাকবে।

গোলাপি বলে স্পিনের কার্যকারিতা

আমার যতদূর মনে পড়ে, গোলাপি বলে স্পিন খুব একটা হয়নি। পেসারদের ভূমিকাই এখানে বেশি। তবে আমি মনে করি, স্পিনারদেরও বড় ভূমিকা রাখার আছে। দিনের প্রথম দুই সেশনে স্পিনাররা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। শেষ ম্যাচে দুই দলই দুই স্পিনার করে খেলিয়েছে। দুই দলের জন্যই স্পিন গুরুত্বপূর্ণ। ইডেনে স্পিনারদের ভূমিকাটা একটু ভিন্ন হয়ে উঠবে দ্রুত সন্ধ্যা নেমে পড়ার কারণে। হতে পারে স্পিনাররা একজন বাড়তি পেসারের কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।

দিবারাত্রির ম্যাচ টেস্টের জন্য কতটা উপকারী

টেস্ট ক্রিকেট টিকে থাকার ক্ষেত্রে গোলাপি বল বড় ভূমিকা রাখবে। টেস্ট ম্যাচের সময়কে যদি রাতের দিকে বাড়ানো যায়, তাহলে বেশি মানুষ খেলা দেখতে পারবে। টেস্টে টিকে থাকায় এর ভূমিকা থাকবে। তবে দিনের খেলার সঙ্গেও একটা সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হবে। দিবারাত্রির টেস্টের মাধ্যমে টি২০ বা ওয়ানডের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। কোহলি বা রোহিত ব্যাটিংয়ে নামলে টি২০-র মতো মনে হবে। আমার মনে হয় এমন একটা আবহ তৈরি হবে যে, কোনো খেলোয়াড়েরও মনে হবে না, তারা টেস্ট ম্যাচের মধ্যে আছে। এটা খেলার মধ্যে ভিন্ন এক মাত্রা নিয়ে আসবে।

বাংলাদেশের স্পিনারদের নিয়ে

আমি খুবই রোমাঞ্চিত। তাইজুল আর মিরাজকে আগে থেকেই চিনি। নাঈমকে দেখলাম। আমার মনে হয়েছে সে বিশেষ প্রতিভা। টি২০-র সময় বিপ্লব ছিল। ওকে দেখেও আমি অভিভূত। ঢাকায় আরও কিছু স্পিনার দেখেছি। তাদের সবার সঙ্গে কাজ করাটা আমার জন্য রোমাঞ্চকর সুযোগ।

প্রথম টেস্টে স্পিনারদের দুর্দশা

এটা আমার জন্য দুঃস্বপ্নের মতো ছিল। ভিনদেশি স্পিনারদের ওপর ভারতের ব্যাটসম্যানরা সবসময়ই আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে। গত তিন-চার বছরে স্পিনারদের রীতিমতো চাপের মধ্যে ফেলে দেয় তারা। প্রথম টেস্টে আমরা মায়াঙ্ক আর রাহানের কাছ থেকে তা দেখেছি। ইন্দোরের ভালো উইকেটে স্পিনারদের তেমন কিছু করারও ছিল না। সম্ভবত এখানেও তেমনটাই হবে। ভারতের প্রতিপক্ষ দলগুলোর স্পিনাররা নিজেদের মাটিতে যেভাবে দাপট দেখাতে পারে, সেটা এখানে এসে হয় না। স্পিনারদের এখন প্রথম ইনিংস ৬০-৭০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়ায় মনোযোগ দিতে হবে। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে কী দরকার হয়, সেটা পরিস্থিতির ব্যাপার।

আরও পড়ুন

×