তারুণ্যে ভরসা রাখতে পারছেন না নান্নু
ছবি: ফাইল
ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০২:২৯
বিপিএল শেষ হলেই পাকিস্তান সফর। ভেতরে ভেতরে টি২০র দল গোছানোর কাজ এগিয়ে রাখতে হচ্ছে নির্বাচকদের। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু রোববার জানালেন, বঙ্গবন্ধু বিপিএলের অর্ধেক খেলা হওয়ার পরই টি২০ স্কোয়াড গড়ার কাজ শুরু করবেন। এই সময়টুকুতে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখে নিতে চান তারা।
বিপিএলে এক দল তরুণ পেসার ভালো করছেন। চট্টগ্রামের মেহেদী হাসান রানা, ঢাকা প্লাটুনের হাসান মাহমুদ, খুলনা টাইগার্সের মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ আর শহীদুল ইসলাম ভালো করছেন। দেশি-বিদেশি তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেদের আলাদা করে চেনাচ্ছেন তারা।
যদিও তাদের আরও কিছুটা সময় দেখে নিতে চান নান্নু, 'এই ছেলেগুলো অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলে এসেছে। এইচপির ছেলেরা ভালো বোলিং করছে। চট্টগ্রামের ভেন্যুতে বল করা কঠিন। ময়েশ্চারে বল ভিজে যাচ্ছে। এর মধ্যেও কয়েকজন ভালো বোলিং করছে। তবে একজন খেলোয়াড়ের মান তখনই বুঝতে পারবেন যখন তিন থেকে চার বছর একটা ধারাবাহিকতা থাকবে। এক-দুটি ম্যাচ দিয়ে এবং শর্টার ভার্সন দিয়ে বোলারকে বিবেচনা করা যায় না।'
মুশফিকুর রহিম তরুণদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করলেও জাতীয় দলে অভিজ্ঞদের ওপরই আস্থা রাখার পক্ষে। গতকাল নান্নুও যেন মুশফিকের সুরে সুর মেলালেন, 'যে কোনো ইয়াংস্টারের কাজ হচ্ছে চিন্তা-ভাবনা করা, যেন পরবর্তী ১৫ বছর ভালো মানের ক্রিকেট খেলতে পারি। একটা-দুটো ম্যাচ দেখে কাউকে বিবেচনা করা যায় না। ১৫ বছরের একটা গোল সেট করতে হবে।
আন্তর্জাতিকের জন্য কমপক্ষে ১০ বছরের একটা লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। এ ধরনের গোল সেট করতে না পারলে একজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স কখনোই একটা মানে থাকে না। সুতরাং একটা-দুইটা ম্যাচে অসাধারণ বল করতে দেখে কখনও বিবেচনা করা যায় না। তিন ফরম্যাটের জন্য তৈরি হতে হবে। তিন জায়গায় ভালো খেলার পর বলা যাবে, এই খেলোয়াড়রা কতদূর যাবে।'
বিপিএলের পারফরমারদের তাই জাতীয় লিগে ভালো খেলার ওপর জোর দেন নান্নু। আগামী মৌসুম থেকে কাউন্টি ক্রিকেটের মতো জাতীয় লিগের ম্যাচ তিন ভাগে খেলার প্রস্তাব করা হবে বলেও জানান প্রধান নির্বাচক, 'আমরা চিন্তা করছি তিনটি আবহাওয়া কন্ডিশনে জাতীয় লিগের ম্যাচগুলো খেলাতে। মৌসুমের শুরুতে দুটি ম্যাচ, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে দুটি, আর মার্চ-এপ্রিলে গিয়ে দুটি ম্যাচ খেলাতে পারলে তিনটি আবহাওয়া কন্ডিশন কভার করবে। তখনই পেস বোলার এবং স্পিনাররা সব ধরনের কন্ডিশনে তৈরি হওয়ার সুযোগ পাবে।'
