ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্মার্ট আইডিয়া

বাড়ির ইন্টারনেট সমস্যায় যা করবেন

বাড়ির ইন্টারনেট সমস্যায় যা করবেন
×

মুস্তাফা তৌহিদ

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬ | ১০:৩৩

নিজের বাসার ওয়াইফাই মাঝেমধ্যে সমস্যা তো করছেই। অনেক চেষ্টা করেও ঠিকমতো মুভি বা ইউটিউব কনটেন্ট দেখতে পারছেন না। আবার কনটেন্ট প্লে করলে চাকা শুধু ঘুরছেই। যদি এমন হয়, তাহলে কয়েকটি বিষয় জানা থাকা ভালো। গবেষকরা বলছেন, পুরোনো দেয়াল বা দরজা অনেক সময় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে বাধা তৈরি করে। তথ্যটা কিন্তু পুরোপুরি সত্য নয়।

এর কারণ বাসাবাড়িতে আরও এমন কিছু জিনিসপত্র আছে, যা ওয়াইফাই ফ্রিকোয়েন্সিকে বাধাগ্রস্ত করে। ঘরের ভেতরে থাকা অনেক বস্তুই ওয়াইফাইয়ের জন্য বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আয়না বা এমন যে কোনো ধাতব পদার্থ সবচেয়ে বেশি বাধা তৈরি করে এই ফ্রিকোয়েন্সিতে।

গবেষণা বলছে, আয়নার যে অংশ প্রতিফলিত হয়, সেই অংশে ওয়াইফাই বাধা পেয়ে অনেকটা বাউন্স করে। ফলে গতি ধীর হয়ে যায়। এর কারণ, ধাতব যে কোনো পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী। বাসায় থাকা অনেক ধাতব পদার্থ ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ওয়েভ রিফ্লেক্টের কারণে হয়। এমন ধরনের ধাতব পদার্থ ওয়াইফাই সিগন্যালের পথে পুরোপুরি বাধা দেয়। ফলে গতি অনেকাংশে কমে যায়।

তাই ওয়াইফাই রাউটার যে স্থানে রয়েছে, সেখানে যেন কোনোভাবেই আয়না না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, রাউটারের আশপাশে কোনো ধাতব পদার্থ না রাখা শ্রেয়। রাউটারের কাছে ব্লুটুথ ডিভাইস না রাখা ভালো। অনেক সময়ে ল্যাপটপ, পিসি, স্পিকার,  কিবোর্ড– এমন ধরনের ডিভাইস থেকে রাউটার দূরত্বে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

অনেকের ধারণা, এতে ইন্টারনেটের গতি তুলনামূলক ভালো পাওয়া যায়। ধারণাটি ঠিক নয়; বরং এর কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়।

অনেকে হয়তো জানেন না, ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে। তাই একে অন্যের কাজে বাধা তৈরি করে। যেন চলে ফ্রিকোয়েন্সির লড়াই। ফলে কমে যায় ইন্টারনেটের গতিবিধি। সমস্যা দূর করতে প্রয়োজনে ওয়াইফাই সিগন্যাল ক্ষমতা বাড়িয়ে নেওয়া যায়।

রাউটারে সিগন্যাল বাড়ানোর অপশন থাকলে অবশ্যই তা বাড়িয়ে নেওয়া শ্রেয়। কারণ, এতে ইন্টারনেটের ফ্রিকোয়েন্সির সামর্থ্য বাড়বে। এতে স্বাভাবিকভাবে ওয়াইফাই গতি বেড়ে যাবে। কিন্তু এ কাজে গুনতে হবে বাড়তি খরচ। ইন্টারনেটের গতি ঠিকঠাক পেতে বাসায় রাউটারের আশপাশে  ব্লুটুথ ডিভাইস না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

×