ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

চ্যাটবটে সহজে তৈরি হবে সিভি

চ্যাটবটে সহজে তৈরি হবে সিভি
×

চ্যাটবট তৈরি করে দেবে জীবন বৃত্তান্ত

­ আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৫ | ০৫:০৮ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৫ | ১৭:১৭

লাখো তরুণের স্বপ্ন ভালো চাকরি পাওয়া। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে প্রথম ধাপ সিভি তৈরিতেই সমস্যায় পড়েন অনেকে। চাকরিতে আবেদনের জন্য ভালো সিভি তৈরি করা প্রয়োজন। অনেকেই জানেন না, দৃষ্টিনন্দন সিভি কীভাবে তৈরি হয়। আবার যারা জানেন, তারা প্রায়ই সঠিক গঠন বা বর্তমান চাকরির বাজারের মান অনুযায়ী সিভি তৈরি করতে পারেন না। অনেকে ইংরেজিতে দুর্বল, আবার কেউ কেউ দামি সিভি পরিষেবা বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন না। দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অভাবে কাঙ্ক্ষিত চাকরিটি থেকে যায় অধরা।

অনেক ক্ষেত্রে ভালো যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু মানহীন সিভির কারণে অনেকের চাকরির সুযোগ হয়ে যায় হাতছাড়া।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহজলভ্যতা অনেক কাজের মতো সিভি লেখাতেও পরিবর্তন এনেছে। চ্যাটজিপিটি, ডিপসিকের মতো এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজেই সিভির কনটেন্ট তৈরি করা যায়। সঠিক নির্দেশ দিলে বা ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের সঙ্গে কথা বললেই সিভির লেখা তৈরি হয়ে যায়; করা যায় ইচ্ছামতো ডিজাইন। এ জন্য কিছুটা সময় দিতে হবে। অনলাইনে পাওয়া যাবে ক্যানভা, অ্যানহ্যান সিভিসহ বেশ কিছু অনলাইন সিভি টুলস। এমন সব প্ল্যাটফর্মে সিভি তৈরি করতে হলে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হয়। অন্যদিকে, সিভিকে আকর্ষণীয় করতে প্রয়োজন হয় কিছুটা ডিজাইন দক্ষতার।

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এআই ফিচার যুক্ত করে সময় বাঁচাতে সক্ষম হলেও ইংরেজিতে অদক্ষ গ্রাহকের জন্য এখনও খুব কাজে আসেনি এসব প্ল্যাটফর্ম। ইতোমধ্যে মেশিন লার্নিং চ্যাটবটভিত্তিক সিভি বিল্ডার নিয়ে এসেছে প্রবাসে চাকরিপ্রার্থীদের অভিবাসন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘আমি প্রবাসী’। 

এই অ্যাপের সিভি বিল্ডারে চ্যাটবটের বাংলায় করা প্রশ্নোত্তর দিয়ে সহজেই মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটে আধুনিক ও চাকরি বুঝে মানসম্মত সিভি তৈরি করা সম্ভব। অ্যাপে বানানো সিভি পিডিএফ ফাইল হিসেবে ডাউনলোড করে চাইলে সংরক্ষণ বা শেয়ার করা যায়। পরিষেবাটি পাওয়া যাবে বিনামূল্যে।

টুলটি দেশের তরুণদের ভেতর যারা প্রযুক্তিতে খুব বেশি দক্ষ নন বা বিদেশে কাজ খুঁজছেন, তাদের জন্য বিশেষ সহায়ক। ইতোমধ্যে লক্ষাধিক আগ্রহী এটি ব্যবহার করেছেন, যাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর। চাকরিপ্রত্যাশীর সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে। তালিকায় আছেন ইঞ্জিনিয়ার ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

সহজ ও ব্যবহারবান্ধব প্রযুক্তি শুধু সময় সাশ্রয় করছে না, তৈরি করছে কর্মজীবনে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ডিজিটাল টুলস ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করলে দেশের তরুণরা ভবিষ্যৎ বিশ্ববাজারে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

×