ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নতুন পরিকল্পনায় এগোবে অ্যাপল

নতুন পরিকল্পনায় এগোবে অ্যাপল
×

দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে অ্যাপল

­আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬ | ০৭:০৯ | আপডেট: ১২ মে ২০২৬ | ১৭:৩১

| প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণ এশিয়ায় ডিজিটাল গ্যাজেটের ব্যবসা প্রসারের ব্যাপক সুযোগ তৈরি হয়েছে। আইফোন নির্মাতা অ্যাপল এ তথ্য জানিয়েছে।

অন্যদিকে সংস্থার বিদায়ী সিইও টিম কুক বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় দ্রুত বাড়তে থাকা মধ্যবিত্ত শ্রেণিই ভবিষ্যতের চালিকাশক্তি হবে। স্মার্টফোন বিপণনে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এখন ভারত। আবার বিশ্বের পিসির বাজারে দেশটি রয়েছে তৃতীয় স্থানে। সুবিশাল এই বাজারে অ্যাপল এখনও অপেক্ষাকৃত ছোট। কিন্তু ভবিষ্যতে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। অনেক দিন ধরে আমরা টানা ভালো কাজ করছি। সাফল্যও বেশ ভালো। কিন্তু এখনও সারাবিশ্বে আমাদের মার্কেট শেয়ার সীমিত। ফলে প্রবৃদ্ধি করার অনেক সুযোগ এখনও বিদ্যমান।

সারাবিশ্বে নতুন গ্রাহক সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আইপ্যাড, আইফোন, ম্যাক– এসব পণ্য নতুন করে গ্রাহক তৈরি করছে। জানা গেছে, অনেক ক্রেতাই প্রথমবার অ্যাপল গ্যাজেট ব্যবহার করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। এ ধরনের প্রবণতা সংস্থার ভিত্তি তৈরিতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

ইতোমধ্যে অ্যাপল ছয়টি রিটেইল স্টোর খুলেছে ভারতে। এ ছাড়া এন্টারপ্রাইজ সেগমেন্টে সংস্থার উপস্থিতি বেড়েছে। সফটওয়্যার সংস্থা ফ্রেশওয়ার্কস পাঁচ হাজারের বেশি ম্যাকবুক ব্যবহার করছে। এটি অ্যাপলের জন্য বড় সাফল্য বলে উল্লেখ করেছেন কুক।

সিইও পদে পরিবর্তন

বিশ্ব বদলে দেওয়া এই সংস্থার নেতৃত্বের পদে বড় পরিবর্তন আসছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে টিম কুক অ্যাপলের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেবেন। সে ক্ষেত্রে অ্যাপলের নতুন সিইও হবেন জন টার্নাস। বর্তমানে টার্নাস হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গভীর চিন্তাশীল, অসাধারণ, দক্ষ ও স্বভাবগত নেতা হিসেবে টিম কুক ইতোমধ্যে টার্নাসকে কর্মীদের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

সরবরাহে ঘাটতি

বিশ্বের সার্বিক পরিস্থিতি মসৃণ নয়। চলতি বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে আইফোন ও ম্যাকের ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ হয়েছে কম। এর প্রধান কারণ মানোন্নত চিপ উৎপাদনের অপ্রতুলতা।

সংকট যেসব কারণে

চলতি ত্রৈমাসিকেও ম্যাকের ক্ষেত্রে এই চাপ আরও প্রকট হতে পারে– এমন সংকটে রয়েছে সংস্থাটি।

অন্যদিকে মেমোরি কম্পোনেন্টের দাম বেড়ে যাওয়া সংস্থার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত অ্যাপল এই বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিয়েছে। গত ত্রৈমাসিকে সংস্থার রাজস্ব ৪৯.৩ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি আগের বছরের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে।
 

আরও পড়ুন

×