ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে গরু ছিনতাইয়ের অভিযোগ
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৯:৩৭
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের গরু ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার ভোর রাতে উপজেলার মধ্যনগর থানার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের হামিদপুর চৌরাস্তা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান আহমেদ কাঞ্চন বলছেন, ব্যবসায়ীরা ভারতীয় গরু অন্যত্র পাচারকালে তিনি নয় স্থানীয় লোকজন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তা ছিনিয়ে নিয়েছে।
গরু ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা জানান, কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী ৩০ থেকে ৪০টি দেশীয় ও ভারতীয় গরু নিয়ে উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজার থেকে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার নয়াহাঁটি বাজারে বিক্রির উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
তারা জানান, রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ব্যবসায়ীরা গরু নিয়ে হামিদপুর চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান আহমেদ কাঞ্চন ও তার চাচাতো ভাই সাগর মিয়াসহ ৭ থেকে ৮ জন ব্যবসায়ীদের গতি রোধ করে এবং জোর করে ২০টি গরু ছিনিয়ে নিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের চাপে কাঞ্চন তার নিজ বাড়ি থেকে এদিন দুপুরে ১৪টি গরু ব্যবসায়ীদের ফেরত দেন। কিন্তু বাকি ৬টি গরুর হদিস পাওয়া যাচ্ছেনা।
উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের গরু ব্যবসায়ী জজ মিয়া বলেন, 'মহিষখলা বাজার থেকে গত মঙ্গলবার গরু কিনে আমার ব্যবসায়িক পার্টনার শামসুল ও ফারুকের বাড়িতে রেখেছিলাম। আমিসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী নয়াহাঁটি বাজারে গরুলো বিক্রির উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু রোববার ভোর রাতে কাঞ্চন ও সাগরসহ ৭ থেকে ৮ জন ২০টি গরু ছিনিয়ে নেয়। তারা ১৪টি গরু ফেরত দিলেও ৬টি গরু ফেরত দেয়নি।'
গরু ছিনতাইয়ের সাথে সম্পৃক্ত নয় দাবি করে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান আহমেদ কাঞ্চন বলেন, 'সবকটি গরুই ছিল ভারতীয়। গরুগুলো আমার বাড়িতে ছিল- কেউ আমার সামনে দাঁড়িয়ে এমনটি বলতে পারবে না। আমার বাড়িতে নয় পাশের বাড়িতে গরুগুলো পাওয়া গেছে। ব্যবসায়ীদের গরুগুলো ফেরত দিতে আমি সহযোগিতা করেছি।'
মধ্যনগর থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ বলেন, 'এ সংক্রান্ত কোনো বিষয় কেউ পুলিশকে জানায়নি।'
- বিষয় :
- ধর্মপাশা
- গরু ছিনতাই
- ছাত্রলীগ নেতা
