চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত
ফাইল ছবি
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:০৪ | আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:০৪
কুমিল্লার তিতাসে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসে এ তদন্ত কার্যক্রম চলে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উলুকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগ করেন দাউদকান্দি মিনারদিয়া গ্রামের আক্তার হোসেনের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার। তিনি বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সফিউল আলম লাকসাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন– চান্দিনা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান ও আদর্শ সদর সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। রোববার বাদী, বিবাদী ও এলাকার গণমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা শুনানি চলে।
বাদী মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘আমাকে গত নিয়োগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ডকুমেন্টের মাধ্যমে কামাল স্যার ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন।’
তদন্তের সময় আরেক ভুক্তভোগী নাগেরচর গ্রামের হালিমা আক্তার বলেন, ‘কামাল স্যার আমাকে চাকরি দেবেন বলে ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন। তদন্ত কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উলুকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি যা বলার তদন্ত কমিটিকে লিখিত আকারে জানিয়েছি।’
তদন্ত কমিটির প্রধান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনায় আমরা আজ (রোববার) তদন্ত কাজ চালিয়েছি। উভয়পক্ষের লিখিত বক্তব্য নিয়েছি। শিগগিরই প্রতিবেদন দাখিল করব।’
- বিষয় :
- কুমিল্লা
- অর্থ আত্মসাৎ
- প্রধান শিক্ষক
- তদন্ত
