ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

থেমে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল ননদ-ভাবির

থেমে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল ননদ-ভাবির
×

প্রতীকী ছবি

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২০ | ০০:৩৪ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারী নিহত হয়েছেন, যারা সম্পর্কে ননদ ও ভাবি। রাস্তায় পড়ে থাকা বিকল ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে আলমসাধুর চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান তারা। বুধবার রাতে দামুড়হুদা-চুয়াডাঙ্গা সড়কে কোষাঘাটাস্থ ইটভাটার কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামের জিনারুল ইসলামের স্ত্রী তানিয়া খাতুন (৩৫) ও বোন রুমানা (২৩)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হাতিভাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন জানান, উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামের জিনারুল ইসলামের স্ত্রী তানিয়া খাতুন সম্প্রতি বাবার বাড়ি চুয়াডাঙ্গা শহরের হাসপাতাল পাড়ায় বেড়াতে যান। বুধবার বিকেলে ভাবিকে আনতে মোটরসাইকেলে চুয়াডাঙ্গা শহরে যান দেবর মনিরুল (৩২) ও ননদ রুমানা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাবি ও ছোট বোনকে নিয়ে মনিরুল মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। রাত ৯টার দিকে দামুড়হুদা-চুয়াডাঙ্গা সড়কে কোষাঘাটাস্থ ইটভাটার কাছাকাছি পৌঁছলে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বিকল ট্রাকে ধাক্কা দেয় এবং তিনজনই মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে একটি চলন্ত আলমসাধুর চাকায় পিষ্ট হন। আশেপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর তানিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আধঘণ্টার মাথায় মারা যান রুমানাও। এ ছাড়া আহত মোটরসাইকেল চালক মনিরুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেলে রেফার করেন। মনিরুলের নাক ও মুখ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

তিনি আরও জানান, বছর খানেক আগে একই উপজেলার সুবলপুর গ্রামের আব্দুস সালামের সঙ্গে বিয়ে হয় রুমানার। তিনি ৩ মাসের  অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

দামুড়হুদা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জিয়াউর রহমান জানান, তিনজনকে চাপা দেওয়ার পর আলমসাধুটি রাস্তায় ফেলেই চালক পালিয়ে যায়। আলমসাধুটি থানায় নেওয়া হয়েছে। চালকের অবস্থান সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×