বগুড়ায় উপসর্গে মারা যাওয়া সেই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন
×
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২০ | ০৬:৪৩ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
বগুড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশন ইউনিট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে মারা যাওয়া জহুরুল ইসলাম বাবু (৫৫) নামে সেই ব্যক্তি কোভিড-১৯ পজিটিভ ছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যুর ১২ ঘন্টা পর মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ১২জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত জহুরুল ইসলাম বাবু একমাত্র যার কোভিড-১৯ পজিটিভ এল।
মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল জানিয়েছেন, শহরের শৈলালপাড়ার এলাকার বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বাবু একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। করোনা উপসর্গ নিয়ে গত বুধবার তিনি বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের রফাতুল্লাহ্ হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন করোনা সন্দেহে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
তবে সেখানে তার অবস্থার অবণতি হলে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮ টার দিকে তাকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডা. শফিক আমিন কাজল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ জানায় জহুরুল ইসলাম বাবু করোনা পজিটিভ ছিলেন। অবশ্য তার আগেই আমরা তার লাশ জীবাণুমুক্ত করে জানাজা শেষে দাফনের জন্য বাড়ি পাঠিয়ে দিই।’
বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যুর ১২ ঘন্টা পর মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ১২জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত জহুরুল ইসলাম বাবু একমাত্র যার কোভিড-১৯ পজিটিভ এল।
মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল জানিয়েছেন, শহরের শৈলালপাড়ার এলাকার বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বাবু একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। করোনা উপসর্গ নিয়ে গত বুধবার তিনি বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের রফাতুল্লাহ্ হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন করোনা সন্দেহে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
তবে সেখানে তার অবস্থার অবণতি হলে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮ টার দিকে তাকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডা. শফিক আমিন কাজল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ জানায় জহুরুল ইসলাম বাবু করোনা পজিটিভ ছিলেন। অবশ্য তার আগেই আমরা তার লাশ জীবাণুমুক্ত করে জানাজা শেষে দাফনের জন্য বাড়ি পাঠিয়ে দিই।’