ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জে করোনা শনাক্ত ৭০০ ছাড়াল

কিশোরগঞ্জে করোনা শনাক্ত ৭০০ ছাড়াল
×

কিশোরগঞ্জ অফিস

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২০ | ১০:৪৮ | আপডেট: ০৯ জুন ২০২০ | ১১:২৭

কিশোরগঞ্জের সর্বত্র করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাতে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী এ পর্যন্ত জেলার ১৩ উপজেলায় ৭০২ জনের শরীরে ধরা পড়েছে করোনা। মারা গেছেন ১৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৪০ জন।

এর মধ্যে ভৈরব উপজেলাতেই বেশি শনাক্ত হয়েছে। এ উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩০৫ জনের। মারা গেছেন ৫ জন। সোমবার রাতে পাওয়া রিপোর্টে এ উপজেলায় একদিনেই ৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ভৈরবের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলার করোনা রোগীদের জন্য একমাত্র ‘ডেডিকেটেড’ হাসপাতাল সদরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য খোলা হয়েছে আলাদা ইউনিট।

ভৈরব উপজেলাকে ইতোমধ্যে সংক্রমণের ‘রেডজোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ভৈরবের পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হচ্ছে প্রশাসনিকভাবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ভৈরব উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি ৩০৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

এর পরের অবস্থানে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় পাওয়া গেছে ৯০ জন, তাড়াইল উপজেলায় ৫৩ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ৪৫ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ৪১ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ৩৭ জন, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৩০ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ৩০ জন, মিঠামইন উপজেলায় ২৫ জন, ইটনা উপজেলায় ১৭ জন, হোসেনপুর উপজেলায় ১৪ জন, নিকলী উপজেলায় ১১ জন ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় পাওয়া গেছে ৪ জন।

এর মধ্যে ভৈরব উপজেলায় মারা গেছেন ৫ জন, সদরে ৪ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ২ জন, হোসেনপুর উপজেলায় ১ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ১ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ১ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ১ জন ও মিঠামইন উপজেলায় ১ জন।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ভৈরবের অবস্থা নিয়ে আমরা খুব উদ্বেগে আছি। এখানে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে। কারও মধ্যে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত তাকে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। আইসোলেশনে নিতে হবে।’

সিভিল সার্জন জানান, বর্তমানে জেলায় ৪১১ জন কভিড-১৯ রোগী এবং ১০ জন সাসপেক্টটেড বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। এর মধ্যে ভৈরবের রোগীই বেশি।  

আরও পড়ুন

×