ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

চসিকের অস্থায়ী তিন পশুর বাজারে সিএমপির আপত্তি

চসিকের অস্থায়ী তিন পশুর বাজারে সিএমপির আপত্তি
×

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২০ | ১২:০৭

ঈদুল আযহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) তিনটি অস্থায়ী পশুর বাজার বসানো নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। এই তিনটি স্থানসহ সাতটি স্থানে বাজানোর বসানোর জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছে চসিক। 

বাজার তিনটি হল- স্টিল মিল মোড় বাজার, কাঠগড় পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং হালিশহর বড়পোল নিউমুরিং আবাসিক এলাকার পাশে বন্দর কর্তৃপক্ষের খালি জায়গা।

চসিকে পাঠানো সিএমপির চিঠিতে বলা হয়, স্টিল মিল বাজার সম্পূর্ণভাবে সড়কের ওপর বসে। পতেঙ্গা সিটি করপোরেশনের উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খালি জায়গা বেশি না থাকায় সেটিও বসে সড়কে। এছাড়া বড়পোল এলাকায় বন্দরের খালি জায়গাটিতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। মাঠটি জোয়ারের পানিতেও প্লাবিত হয়। এখানে বাজার ইজারা দেওয়া হলে সম্পূর্ণ বাজারটি পোর্ট কানেক্টিং (পিসি রোড়) সড়কে বসবে। এসব স্থানে বাজার বসানো হলে যানজটের দুর্ভোগে পড়বে নগরবাসী, ব্যাহত হবে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরুত্বও মানা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন তারা।

সিএমপির উপ কমিশনার (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) মো. আব্দুল ওয়ারীশ বলেন, ‘পতেঙ্গায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজের জন্য সড়কের ৫০ শতাংশ বেস্টনি দিয়ে ঘেরা রয়েছে। বাকি ৫০ শতাংশে যদি বাজার বসে তাহলে গাড়ি চলাচল আর জায়গা থাকবে না। চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি-রফতানি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত গাড়ির অধিকাংশই চলাচল করে পিসি রোড় দিয়ে। এখানে বাজার বসলে সড়কটি অচল হয়ে যাবে। বন্দরের কাজেও মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটবে। জনদুর্ভোগ এড়ানো ও সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিতে সিএমপির পক্ষ থেকে মেয়রের কাছে তিনটি স্থানে বাজার না বসানোর অনুরোধ জানিয়ে বুধবার চিঠি দিয়েছি। আশা করছি মেয়র মহোদয় সুবিবেচনা করবেন।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম বলেন, ‘এখনো কোন বাজার ইজারা দেওয়া হয়নি। অস্থায়ী বাজার বসানোর অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে মাত্র। সিএমপির আপত্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর এ বিষয়ে সিএমপি জেলা প্রশাসনে আপত্তি জানালে ভালো হতো। কারণ বাজারের অনুমতি দেয় জেলা প্রশাসন।’

আরও পড়ুন

×