ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

যশোর মেডিকেল কলেজের সেই এসি খুলে ফেলা হয়েছে

যশোর মেডিকেল কলেজের সেই এসি খুলে ফেলা হয়েছে
×

যশোর অফিস

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২০ | ১১:০১

যশোর মেডিকেল কলেজের ১৩ ও ১৪ গ্রেডের কমর্চারীদের কক্ষে লাগানো টেন্ডার জালিয়াতির মাধ্যমে কেনা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) খুলে ফেলা হয়েছে। 

অনিয়মের এ বিষয়টি নিয়ে বুধবার দৈনিক সমকালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এর আগে, পত্রিকার পক্ষ থেকে অনুসন্ধান শুরু করা হলে মঙ্গলবার রাতের আঁধারে খুলে ফেলা হয় এসিগুলো। 

একইসঙ্গে প্রায় তিনবছর ধরে বন্ধ থাকা কলেজ ক্যান্টিনে লাগানো কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও অপসারণ করা হয়েছে। খুলে ফেলা এসব এসিগুলি রাখা হয়েছে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলায়।

এদিকে, এসি জালিয়াতির ঘটনায় অভিযুক্ত এক কর্মচারীর নেতৃত্বে এসিগুলি খোলা হলেও নেওয়া হয়নি কর্তৃপক্ষের অনুমতি। 

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আক্তারুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে এ কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে এসি পুনঃবিন্যাসের জন্যেও একটি কমিটি করা হয়েছে।

তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তাদের অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ করেছে। প্রাথমিকভাবে তারা ১৫টি এসি স্থাপনের ক্ষেত্রে নীতিমালা লংঘনের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে। নির্ধারিত কার্যদিবসের মধ্যে এ কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

উল্লেখ্য, সরকারি নীতিমালা অনুয়ায়ী ষষ্ঠ গ্রেডের নিচের কর্মকর্তাদের কক্ষে এসি থাকার কথা নয়। অথচ কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিনের সুরক্ষার অজুহাত দেখিয়ে গত মাসে যশোর মেডিকেল কলেজে ১৩ ও ১৪ গ্রেডের চার কর্মচারীদের কক্ষে এসি লাগানো হয়। সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকদের কক্ষে একই সরঞ্জাম থাকলেও গরম নিবারণে তাদের ভরসা বৈদ্যুতিক পাখার বাতাস। এমনকি আটটি ল্যাবের সবগুলো এখনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আওতায় আসেনি। আর প্রায় দুই কোটি টাকার ১২৪ টনের এসি ক্রয়েও নেওয়া হয় অনিয়মের আশ্রয়। 



আরও পড়ুন

×