ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

কলমাকান্দায় পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি, বন্যার শঙ্কা

কলমাকান্দায় পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি, বন্যার শঙ্কা
×

বন্যার পানিতে ডুবেছে ঘরবাড়ি

কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২০ | ০০:৫৫

অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কলমাকান্দার উপদাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ, নয়াপাড়া, মুক্তিচর, বিশরপাশা, বাউশাম, হরিপুর চকবাজার, আনন্দপুর, বরুয়াকোনা ও বড়খাঁপন কাঁচা ও পাঁকা সড়কের উপর দিয়ে পানি বয়ে যাচ্ছে। এদিকে উপদাখালীর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। 

গত শুক্রবার মধ্য রাত থেকে অতি বর্ষণের কারণে সীমান্তবর্তী গনেশ্বরী নদী, মঙ্গলেশ্বরী নদী, মহাদেও নদী ও পাঁচগাও ছড়ায় পাহাড়ি ঢলের কারণে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে উপদাখালী নদী। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, কলমাকান্দার প্রধান নদী উপদাখালী নদীর ডাক বাংলা পয়েন্টে গত ৩০ ঘণ্টায় ৫০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে  বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। গত দু’দিনে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কলমাকান্দায় ৮২ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল শনিবার অব্যাহত থাকলে বিকেলের মধ্যে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ অনিক রহমান জানান, এর আগে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে প্রায় ১ হাজার ৬০৪ টি পুকুরের মাছ সম্পূর্ণ ভেসে গেছে। এখন আবার নতুন করে পানি বৃদ্ধি হলে আরো প্রায় ২ হাজার মৎস্য চাষীরা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারুক আহমেদ জানান, উপজেলার আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ফের পানিতে তলিয়ে আমনের প্রায় ৩০০ একর বীজতলা ও  ৫১০ হেক্টর আউশ ধান জমির ফসল ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে যদি বৃষ্টিপাত বন্ধ না হয়। 

আরও পড়ুন

×