ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গাজীপুর

বিএনপি নেতার মামলা প্রত্যাহার দাবিতে সড়ক অবরোধ, দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তি

বিএনপি নেতার মামলা প্রত্যাহার দাবিতে সড়ক অবরোধ, দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তি
×

বিক্ষোভের একপর্যায়ে মহাসড়কের ওপর শুয়ে পড়ে এক বিক্ষোভকারী। ছবি: সমকাল

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৫ | ১৮:০৬

গাজীপুরে বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর সদরের বাঘের বাজার এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভ করেন তারা। একপর্যায়ে মহাসড়কের ওপর শুয়ে পড়ে বিক্ষোভকারীরা।

খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মামলার বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধানের আশ্বাস দিলে মহাসড়ক থেকে সরে যায় তারা। এ সময় সড়কের দু’দিকে প্রায় চার কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ের যাত্রীরা।

বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইসলাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় তার বিরুদ্ধে অটোস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছে। গত ১১ জুলাই বাঘের বাজার এলাকায় সাফারি পার্ক রোডে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডের বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোনো তদন্ত ছাড়াই জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌফিক আহমেদ মামলাটি রুজু করেছেন।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ইসলাম উদ্দিন জানান, গত শুক্রবার স্ট্যান্ডের দুটি পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় তিনি শ্রীপুর উপজেলায় বিএনপির একটি কর্মসূচিতে ছিলেন। তিনি বলেন, ওই ঘটনার সাথে আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে মামলাটি করা হয়েছে।

গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের মুসুল্লী বলেন, ঘটনার দিন ইসলাম উদ্দিন তার সঙ্গে দলীয় কাজে শ্রীপুরে ছিলেন। 

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আহমেদ বলেন, বাঘের বাজার অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি শহীদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ওসি আরও বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে সেখানে হাজির হই। বিষয়টি আরও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা আন্দোলন স্থগিত করে।

আরও পড়ুন

×