তলিয়ে গেছে ৮ গোচারণভূমি, পশু নিয়ে বিপদে খামারি
ঈশ্বরদীর ৮টি চারণভূমি তলিয়ে গেছে। খামারিরা গবাদি পশু নিয়ে ছুটছেন গোখাদ্যের সন্ধানে। শহরের রেলগেটের পাতিবিল এলাকা সমকাল
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৫ | ২৩:৩৬
ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী, সাঁড়া ও লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের ৮টি চারণভূমিসহ পদ্মাপারের নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। খামারিরা গবাদি পশু নিয়ে বিপদে পড়েছেন। গবাদি পশুর খাবারের সন্ধানে শহরের দিকে ছুটছেন তারা।
সাঁড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের খামারি আলীমুর রহমান বলেন, প্রতি বছর বর্ষায় চরে পদ্মার পানি উঠলেও কিছুদিন পর নেমে যায়। এ বছর যে হারে বাড়ছে তাতে দু’তিন মাস লাগবে পানি নামতে। এরপর আরও মাসখানেক লাগবে গোচারণভূমিতে ঘাস গজাতে। এবার গবাদি পশু নিয়ে দুর্ভোগের মাত্রা বাড়বে বলে জানান তিনি।
পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৮০ মিটার। সর্বশেষ পদ্মার পানি ১২ দশমিক ৯৪ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোর কারণে নিম্নাঞ্চল ও চরের চারণভূমি তলিয়ে গেছে।
সাঁড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলে প্রায় ৬৫টি পরিবারের বসবাস। তাদের অন্তত এক হাজার মহিষ, ৫-৬শ গরু, শপাঁচেক ভেড়া, ছাগল, আড়াইশ হাঁস এবং দেশি মুরগি রয়েছে। অনেকেই গবাদি পশু নিয়ে নিরাপদ জায়গায় চলে গেছেন।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন জানান, চরজাজিরা এলাকায় তাদের প্রতিনিধি দল গিয়ে খামারিদের খোঁজখবর নিয়েছেন। দুটি পরিবার ছাড়া সবাই গবাদি পশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন। প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে পশুর সেবা, টিকা ও কৃমিনাশক ব্যবহারের বিষয়ে খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
- বিষয় :
- পশু
