ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

মঠবাড়িয়ায় ভুয়া চক্ষু বিশেষজ্ঞের ৬ মাস কারাদণ্ড

মঠবাড়িয়ায় ভুয়া চক্ষু বিশেষজ্ঞের ৬ মাস কারাদণ্ড
×

দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসক- সমকাল

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২০ | ০৪:৫৩ | আপডেট: ২১ জুলাই ২০২০ | ০৫:১৯

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরশহরে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে চোখের চিকিৎসা করার অপরাধে পলাশ কান্তি সাহা (৪০) নামের ভুয়া চিকিৎসককে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঊর্মি ভৌমিকের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে দোষ স্বীকার ও চিকিৎসা করার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ওই চিকিৎসককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দণ্ডিত পলাশ কান্তি সাহা পিরোজপুর পৌরশহরের ডুমুরতলা এলাকার হরিদাস সাহার ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, পলাশ কান্তি সাহা মঠবাড়িয়া পৌরশহরের নুর আলম আবাসিক বোর্ডিংয়ের একটি কক্ষে পিরোজপুর জেনারেল ও চক্ষু হাসপাতালের প্যাড ব্যবহার করে নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চক্ষু চিকিৎসা করে আসছিলেন। মঙ্গলবার সকালে টিএন্ডটি রোডের আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল নামের ব্যবসায়ীর স্ত্রী তানজিলা আক্তার (২২) চোখের চিকিৎসার জন্য ওই ডাক্তারের কাছে যান। এসময় ওই রোগী তার চিকিৎসা ও ঔষধপত্র দেখে সন্দেহ হলে ডিজিএফআই ও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের অবহিত করেন। বিষয়টি তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মি ভৌমিকের নেতৃত্বে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে। এ সময় পুলিশ পিরোজপুর চক্ষু হাসপাতালের প্যাড ও ওই হাসপাতালের স্লিপ বই, চোখের পাওয়ার কাউন্ট করার লেমিনেটিং করা দুই পাতা বিশিষ্ট বই, একটি পুরাতন প্রাকটিসের চায়না টর্চলাইট, একটি মিনি চোখের পাওয়ার পরীক্ষার ফ্রেম, গ্লাসসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঊর্মি ভৌমিক জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫৩ ধারার অপরাধ করায় ওই ভুয়া ডাক্তার পরিচয়দানকারীকে এ দণ্ড দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘ভুয়া ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসার নামে জনগণ প্রতারিত হচ্ছে এ ধরনের অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন

×