ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গাজীপুর

ডাকাতির এক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার ৪৬ মহিষসহ দুই ট্রাক, গ্রেপ্তা‌র ১

ডাকাতির এক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার ৪৬ মহিষসহ দুই ট্রাক, গ্রেপ্তা‌র ১
×

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাক ফেলে রেখে ডাকাতরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধার করা হয় ৫১ লাখ টাকা মূল্যের ৪৬টি মহিষ। ছবি: সমকাল

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫ | ২৩:৪৪

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার থেকে তৈমুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীর ৪৬টি মহিষ দু’টি ট্রাকে করে রাজশাহী নিয়ে যাচ্ছিলেন চালক লোকমান হোসেন ও ইন্তাজ আলী। কালো রঙের মহিষ বোঝাই ট্রাক দু’টির পিছু নেয় একদল ডাকাত। গাজীপুর মহানগরের গাড়িনাল এলাকায় পৌঁছার পর ডাকাত দলের একটি মোটরসাইকেল কৌশলে একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগায়। পরে পেছন দিক থেকে মোটরসাইকেল আরোহী ডাকাত দলের আরো ৮-১০ জন সদস্য ট্রাকের গতিরোধ করে চালক লোকমানকে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে চালক দু’জনকে রাস্তায় ফেলে রেখে ট্রাক দু’টির স্টিয়ারিং নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। তাদের কাছে থাকা মোবাইল ও টাকা পয়সা যা ছিল সব তারা লুট করে। পরে মহিষ বোঝাই দু’টি ট্রাক নিয়ে তারা চলে যায়।

সোমবার সন্ধ্যায় গাজীপুর মহানগরের হাড়িনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, হাড়িনাল এলাকার নোয়াগাঁও মানবকল্যাণ যুবসংঘের সামনে ওই দুই ট্রাক চালক চিৎকার করতে থাকেন। তখন এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে বিস্তারিত জেনে জাতীয় পরিষেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে ঘটনা জানানো হয়।

খবর পেয়ে গাজীপুর মহানগরের সদর থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে মুহূর্তের মধ্যে পুলিশ সদস্যরা সেখানে ছুটে যান। এ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ মহিষ বোঝাই দুই ট্রাকের সন্ধান পায়।

এসআই মিজানুর রহমান জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাক ফেলে রেখে ডাকাতরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধার করা হয় ৫১ লাখ টাকা মূল্যের ৪৬টি মহিষ।

এ সময় ডাকাদ দলের সদস্য গাজীপুর মহানগরের সদর থানার সামন্তপুর গ্রামের সামসুদ্দিনের ছেলে মুরগি শামীমকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শামীম জানায়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবুজ, ফয়সাল, নাজমুল, রেজাউলসহ তাদের দলের আরো কয়েকজন সদস্য। সবাই পালিয়ে গেছে।

ট্রাকচালক লোকমান হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চর উদয়নগর গ্রামের মাইনুল হকের ছেলে তৈমুর রহমান মহিষগুলো কিনে রাজশাহী নিচ্ছিলেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকচালক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার মহানগরের সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। লোকমান হোসেন রাজশাহীর পবা থানার কৈপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

আরও পড়ুন

×