ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

জেলের জালে ৬৮৭টি কোরাল, ১০ লাখ টাকায় বিক্রি

জেলের জালে ৬৮৭টি কোরাল, ১০ লাখ টাকায় বিক্রি
×

টেকনাফে ধরা পড়া লাল কোরাল সমকাল

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:২৯ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:১৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘদিন পর বঙ্গোপসাগরে আবারও বিপুল পরিমাণে মাছের দেখা মিলেছে। গত বুধবার কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন চ্যানেলে এক জেলের ট্রলারে ৬৮৭টি লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের মৌলভীরশীল এলাকায় ধরা পড়া মাছগুলো শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজ ঘাটে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়। 
জেলেরা বলছেন, বাংলাদেশে লাল কোরাল মাছ ভেটকি নামেও পরিচিত। চট্টগ্রামে স্থানীয়ভাবে এই মাছকে লাল পানসা, রাঙা ছইক্কা বা রাঙাচয় নামেও ডাকা হয়। ধরা পড়া প্রতিটি মাছের ওজন দুই থেকে চার কেজির বেশি বলে জানিয়েছেন জেলেরা। 

ট্রলার মালিক মোহাম্মদ জাকারিয়া (৪০) বলেন, একদিন আগে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজ ঘাট থেকে ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে যাত্রা করে। মাঝি আবুল কালামের নেতৃত্বে ট্রলারে ছিলেন ৯ জন মাঝিমাল্লা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর পাশে সেন্টমার্টিন চ্যানেলে নোঙর করে জাল ফেলা হয়। বুধবার সকালে সেই জালেই একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ে। তিনি জানান, মোট ৬৮৭টি মাছের মধ্যে ১০টি রেখে বাকি ৬৭৭টি মাছ বিক্রি করা হয়েছে। প্রথমে মণপ্রতি ২৪ হাজার টাকা দরে মোট ১২ লাখ টাকা দাম হাঁকা হলেও পরে দরকষাকষির মাধ্যমে মণপ্রতি ২৩ হাজার টাকা হিসেবে ১০ লাখ টাকায় মাছগুলো বিক্রি হয়।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. ফারুক বলেন, মাছগুলো বরফ দিয়ে মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখান থেকে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হবে। তিনি জানান, কোরাল বা ভেটকি মাছ অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় দেশজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গভীর সমুদ্রের এই মাছ সব সময় পাওয়া যায় না, তাই দাম তুলনামূলক বেশি। 
শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, দীর্ঘদিন সাগরে তেমন মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে গত কয়েক দিন ধরে আবার ভালো মাছ ধরা পড়ছে। এতে জেলেদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। 

আরও পড়ুন

×