ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গাইবান্ধা-৫

৫ শতাধিক কর্মী নিয়ে বিএনপিতে এলেন জাপার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান

৫ শতাধিক কর্মী নিয়ে বিএনপিতে এলেন জাপার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান
×

ছবি : সমকাল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৪:০৯

গাইবান্ধার সাঘাটায় প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সরকার আতা।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ডাকবাংলা বাজারের পাশে আয়োজিত এক সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।

সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের সভাপতিত্বে যোগদান সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ফারুক আলম সরকার। তিনি নবাগতদের ফুলের তোড়া দিয়ে দলে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল নবি টিটুল এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল কবির রাঙ্গা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহাগসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে নির্বাচনের একদিন আগে যেসময় সকল ধরনের সভা-সমাবেশ বন্ধ, ঠিক সেসময় যোগদানের বিষয়টিকে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ তুলেছেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ।

স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকেই সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ। তারপরও নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তারা যোগদান সভা করেছেন। আমরা এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করবো।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল নবি টিটুল বলেন, তিনি (আতা) জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন নেতাকর্মীসহ। বিএনপি চাইলে কেউ যখন তখন যোগ দিতে পারেন। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

এদিকে বিএনপিতে যোগদান করা জাতীয় পার্টির নেতা আতাউর রহমান সরকার আতা বলেন, জাতীয় পার্টি থেকে আমার সঙ্গে বারবার প্রতারণা করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এ পর্যন্ত দলের পিছনে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ করেছি। এবারও আমাকে নমিনেশন দেওয়া হয়নি। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও আমি বারবার তাদের প্রতারণার স্বীকার হয়েছি। তাই, আমি আমার সব নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এবং সহকারী রিটার্নিং।কর্মকর্তা ও সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

×