ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর

থানায় স্বীকারোক্তি, আদালতে অস্বীকার

থানায় স্বীকারোক্তি, আদালতে অস্বীকার
×

কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ০৮:০১

| প্রিন্ট সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে দোলনা থেকে নিখোঁজ চার মাসের শিশু আশরাফুল হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে শিশুর চাচি রুপা আক্তারকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুকে খুনের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন তিনি। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে সেখানে হত্যায় সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেন রুপা আক্তার। 
গত মঙ্গলবার সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে আশরাফুলের লাশ উদ্ধারের পর শিশুর চাচি রুপা আক্তারকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 
গ্রেপ্তার রুপা আক্তার নিহত শিশু আশরাফুলের চাচা আব্দুল হাকিমের প্রথম স্ত্রী। 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুপা খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন। তিনি জানান, তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বছর খানেক আগে তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর হাকিম রুপা এবং তাঁর মেয়ের প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়েন। অপরদিকে স্বামী এবং শ্বশুর-শাশুড়িও তাঁর মেয়ের চেয়ে আশরাফুলকে বেশি আদরসোহাগ করতেন। এ কারণে রুপা ক্ষুব্ধ ছিলেন। ঘটনার দিন আশরাফুলকে দোলনায় একা পেয়ে রুপা ঘরের পাশের সেপটিক ট্যাঙ্কে নিয়ে ফেলে দেন। তবে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলেও গত মঙ্গলবার রুপাকে আদালতে তোলা হলে সেখানে তিনি এসব কথা অস্বীকার করেন। 

আশরাফুল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম কবির বিশ্বাস জানান, রুপাকে ৫ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
নিহত আশরাফুল কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সুতী ইউনিয়নের কান্দিগ্রাম কাঁঠালতলা গ্রামের শাহিন মিয়ার তৃতীয় ছেলে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি আশরাফুলের মা লিপা আক্তার (২৫) শিশুকে দোলনায় ঘুম পাড়িয়ে রান্নার জ্বালানির জন্য বাড়ির পাশে পাতা কুড়াতে গিয়েছিলেন। ঘরে এসে তিনি দেখতে পান আশরাফুল দোলনায় নেই। এরপর শিশুটির আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত মঙ্গলবার সকালে শিশু আশরাফুলের দাদা হারুন অর রশিদ টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে গেলে ওই শিশুর গলিত লাশ দেখতে পান। পরে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন

×