পাবলিক পরীক্ষার আইন আমাকে পাল্টাতে হবে, বললেন শিক্ষামন্ত্রী
চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬ | ০৫:৫৪
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, পাবলিক পরীক্ষার আইন আমাকে পাল্টাতে হবে। ১৯৮০ সালে যেটি করা আছে, সেটায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি।
শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার ও প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার নতুন আইন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন আমি এই অধিবেশনে এটা করতে পারব কিনা জানি না। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নতুন আইন বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও ভবিষ্যতে এ পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন আইন পরিবর্তন করার আগে বিদ্যমান আইন দিয়ে পরীক্ষা নিতে হবে এবং তা সুষ্ঠু পরিবেশে হবে।
আইন পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘আগের আইন যেটা আছে, সেটা দিয়ে আমি নকল প্রতিরোধ করেছি। এখন যদি এই আইনের দুর্বলতা নিয়ে কথা বলি তাহলে তো হবে না।’
তিনি জানিয়েছেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে পাবলিক পরীক্ষা আইন প্রণয়ন করেছিলেন। এই আইনকে যুগোপযোগী করতে হবে। একই সঙ্গে যাতে অনেক সাংবাদিক পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢুকে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন না ঘটান, সে বিষয়েও তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের বিষয়ে প্রশ্ন করলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না। অর্ধশিক্ষিত নয় বরং শিক্ষাক্ষেত্রে যাদের অবদান আছে, তাদের নিয়ে কমিটি করার চিন্তাভাবনা চলছে। এরই মধ্যে অর্ধশিক্ষিত লোকজন দিয়ে কমিটি গঠনের যে তথ্য প্রচার হয়েছে, তা অসম্পূর্ণ ও বিকৃত। এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
অনুষ্ঠানে আসার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার দৃশ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আর কখনও আমার জন্য রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না। রাস্তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী দাঁড় করিয়ে ফুলের মালা বা তোড়া দেওয়ার রীতি বন্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহসভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসাদ্দেক হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
- বিষয় :
- শিক্ষামন্ত্রী
- এহসানুল হক মিলন
- চাঁদপুর
