ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ইউল্যাব ছাত্রীর আত্মহত্যা: মামলার আসামিকে মারধর করে থানায় সোপর্দ

ইউল্যাব ছাত্রীর আত্মহত্যা: মামলার আসামিকে মারধর করে থানায় সোপর্দ
×

তানহা বিনতে বাশার

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬ | ২৩:২৭

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের শিক্ষার্থী তানহা বিনতে বাশারের আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আনিল ফয়সাল সায়মনকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। আজ সোমবার রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় তাকে মারধর করা হয়।

আজ রাতে সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুর রহমান। তিনি বলেন, সায়মন এজাহারনামীয় আসামি। তাই তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

সায়মন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বনকরা গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে নগরীর টমছমব্রীজ এলাকার একটি ভাড়ায় বাসায় থাকেন। সায়মন  ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এর শিক্ষার্থী। আর তানহা বিনতে বাশার বুড়িচং উপজেলার কুসুমপুর গ্রামের আবুল বাশার ভূঁইয়ার মেয়ে এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। 

মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত বছরের ৩ নভেম্বর বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তানহার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সায়মনকে আসামি করে ৬ নভেম্বর আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও সহায়তার অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন তানহার বাবা আবুল বাশার। 

মামলার বাদী আবুল বাশার বলেন, ‘আমার মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও সহায়তায় ঘটনায় সায়মনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করি। সায়মন গত বছরের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক মাসের জন্য উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন। এর পর তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি। তাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। আমার মেয়ে আত্মহত্যার জন্য সায়মন দায়ী। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’      

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ওসি সমকালকে বলেন, ‘কিছু লোক কুমিল্লা স্টেডিয়াম এলাকা থেকে সায়মনকে আটক থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় মামলা রয়েছে। থানায় আনার আগে তাকে কিছুটা মারধর করা হয়েছে। তাই হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া শেষে মোহাম্মদপুর থানার একটি টিম আসার পর তাকে হস্তান্তর করব।’ 

আরও পড়ুন

×