ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

রাশেদ-ফাতেমার ঘরে এলো নতুন অতিথি

রাশেদ-ফাতেমার ঘরে এলো নতুন অতিথি
×

দিনাজপুরে পহেলা বৈশাখ সকালে জন্ম নেওয়া শিশু মোহাম্মদ

বিপুল সরকার সানি, দিনাজপুর 

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:৩৮ | আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:১৯

বৈশাখের প্রথম সকালে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ও ফাতেমা বেগমের ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি। তার নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ। 

সকাল ৭ টা ৩৮ মিনিটে দিনাজপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। মা ও শিশু দু’জনই সুস্থ আছেন। 
পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জের রামগঞ্জ বিলাসী (বালাখুড়ী) গ্রামের মাওলানা রাশেদুল ইসলাম বিন আজহার ও ফাতেমা বেগমের দ্বিতীয় সন্তান এটি। নরমাল ডেলিভারী জন্ম হয় মোহাম্মদের।

রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমি পঞ্চগড় থেকে এসেছি দিনাজপুরের মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে। ঠিক চার বছর আগে আমার প্রথম সন্তানের জন্মকে কেন্দ্র করে এসেছিলাম। আমাদের দাম্পত্য জীবনে এ পহেলা বৈশাখ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজ আমার ঘরে আনন্দের বন্যা বইয়ে দিয়েছে। আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। এখানকার চিকিৎসক ও নার্স অত্যন্ত যত্নসহকারে আমার পরিবারকে দেখেছেন আমি তাদের সেবায় সন্তুষ্ট।

ফাতেমা বেগম বলেন, পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ের ছয় বছর চলছে। আজ পহেলা বৈশাখে আমাদের ঘরে নতুন অতিথি এলো। ১২ এপ্রিল প্রসবের তারিখ থাকলেও আজ ১৪ এপ্রিল হলো, আমরা আনন্দিত। আমার বড় ছেলের নাম সালেহ আল মাহামুদ। আমার বড় ছেলের নামের সাথে আমার ছোট ছেলের নাম মোহাম্মদ রাখার নিয়ত করেছি এবং প্রথম সন্তানের নাম তার বাবার পছন্দ করা ও দ্বিতীয় সন্তানের নাম আমি পছন্দ করেছি। 

শিশুর দাদি রহিমা খাতুন বলেন, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, পহেলা বৈশাখ জন্মগ্রহণ করায় আমরা খুবই আনন্দিত।

দিনাজপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ফার্মাসি দীপঙ্কর রায় দিপু বলেন, আজ এই নববর্ষের দিনে মায়ের কোলে একটি নবজাতকের জন্ম হয়েছে এবং আমাদের আনন্দকে দ্বিগুণ করে তুলেছে। আমরা তাদেরকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। 

কেন্দ্রের সহকারি নার্স পুতুল বলেন, সকাল ৯ টাতেই আমি এবং আমার এক সহকর্মী এসেই সর্বপ্রথম সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। সবার খোঁজখবর নিয়েছি। এমন দিনে শিশুটির জন্ম হওয়ায় আমরাও আনন্দিত। 

দিনাজপুর মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আজ পহেলা বৈশাখ ৭ টা ৩৮ মিনিটে নরমাল ডেলিভারি করেছি। রোগী কাল রাতে প্রায় সাড়ে দশটায় এসে ভর্তি হয়। রাত তিনটায় ডেলিভারি হয়। তিনি  এএনসি কার্ড করে প্রতিমাসে চেকআপ করেন। শিশুর ওজন হয়েছে ৩ কেজি ১০০ গ্রাম। মা ও বাচ্চা দুজনেই ভালো আছেন। 
 

আরও পড়ুন

×