ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

তালা ঝুলিয়ে শিক্ষক রুনা হত্যার বিচার দাবি

তালা ঝুলিয়ে শিক্ষক রুনা হত্যার বিচার দাবি
×

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:৫৩

| প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ও প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে এই দাবিতে বিক্ষোভ করেন সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তাব্যক্তিরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
বুধবার দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ ভবনের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে সমবেত হয়। একপর্যায়ে তারা ওই ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকেও তালা দেন তারা। এতে করে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহগামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কয়েকটি বাস আটকা পড়ে।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে রুনা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, তাঁর পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও একজন সদস্যের কর্মসংস্থান নিশ্চিতের দাবি জানান। পাশাপাশি রুনার নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন একটি হলের নামকরণ ও বিভাগের চলমান সব সংকট নিরসনের আহ্বান জানান। 

দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার ওসি মাসুদ রানা বিক্ষোভস্থলে আসেন। তারা শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডে দায়ের মামলাটির অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানান। তারা দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা তালা খুলে দেন। 
ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফজলুর এখনও কথা বলতে পারছেন না, যে কারণে তাঁর জবানবন্দি নেওয়া যায়নি। এ ছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ধরতে অভিযান চালানো হয়েছে। 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে দ্রুতই রিপোর্ট দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির সদস্যরা। বিভাগের শিক্ষক সংকট নিরসনে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘রুনার নামে একটি হলের নামকরণের প্রস্তাব আমি নিজেই করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হত্যার পরে আইনগতভাবে যতটুকুই প্রাপ্য তাঁর জন্য শিক্ষিকার পরিবার আবেদন করেছে। আমরা তা পূরণ করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পর্যায়ে নিয়োগ দেওয়া হলে রুনার স্বামীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’ 

আরও পড়ুন

×