ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সীতাকুণ্ডে পাহাড় কাটার অভিযোগে জুটমিল কর্মকর্তার কারাদণ্ড

সীতাকুণ্ডে পাহাড় কাটার অভিযোগে  জুটমিল কর্মকর্তার  কারাদণ্ড
×

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:৩০

| প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড এলাকায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগে ফরিদ আহমেদ নামের এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের জেল ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়বকুণ্ড এলাকায় একটি পরিত্যক্ত জুটমিল এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় ফরিদ আহমেদকে হাতেনাতে আটক করে এ দণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদ আহমেদ রাজধানীর আশুলিয়া থানার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার মৃত ফজলুল হকের ছেলে। তিনি মকবুল রহমান জুটমিলের কর্মকর্তা। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাড়বকুণ্ড বাজারের পূর্ব পাশে মকবুল রহমান নামে একটি পরিত্যক্ত জুটমিল রয়েছে। এই মিলের ভেতর ও দুই পাশে একাধিক পাহাড় রয়েছে। ওই পাহাড়গুলো কেটে কনটেইনার ডিপো করার পরিকল্পনা নিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল। এতে মকবুল রহমান জুটমিলের কর্মকর্তারাও জড়িত রয়েছেন। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে চক্রটি পরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে সমতল ভূমিতে পরিণত করছে। প্রতিদিন রাতে পাহাড় কেটে শত শত ট্রাক মাটি বিক্রি করছে চক্রটি। 

গত রোববার দৈনিক সমকালে পাহাড় কাটা নিয়ে ‘সীতাকুণ্ডে পাহাড় কাটছেন প্রভাবশালীরা’ শীর্ষক একটি সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বৃহস্পতিবার বাড়বকুণ্ডে পাহাড় কাটার স্থানে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা মিলে ঢুকতে দেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

পরে বৃহস্পতিবার রাতে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি সমকালকে বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটা এবং আংশিক পুকুর ভরাটের অপরাধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মিলের কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে তাঁকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও পনেরো দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি জানান, পাহাড় কাটা ছাড়াও সেখানে পাহাড়ের হাজারো গাছ কাটার আলামত রয়েছে। 
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, দুই সপ্তাহ আগে সেখানে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির সময় পুলিশ তিনটি ট্রাক জব্দ করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। 
 

আরও পড়ুন

×