ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা গ্রেপ্তার

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা গ্রেপ্তার
×

প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬ | ২১:৫১

নেত্রকোনার মদনে মাদ্রাসা শিক্ষক দ্বারা মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের পর এবার পূর্বধলায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবা শফিকুল ইসলামের (৪৮) বিরুদ্ধে। ওই কিশোরী এখন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পুলিশ শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আজ বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলা যাত্রাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পে বাবার লালসার শিকার হয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে বুধবার তার বাবার বিরুদ্ধে পূর্বধলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায়। 

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলা যাত্রাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের মৃত হাবিবুল্লাহর ছেলে শফিকুল ইসলাম। তারই মেয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী ঢাকায় একটি বাসায় কাজ করতো। প্রায় ৬ মাস আগে তিনি বাবার সঙ্গে ধলা যাত্রাবাড়ীতে চলে আসের। বাড়িতে আসার ২-৩ দিন পর প্রথমে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন বাবা শফিকুল ইসলাম। এরপর প্রায় সময় ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করতো। গত দুই মাস আগে কিশোরীকে ময়মনসিংহ এক বাসায় কাজ করতে পাঠানো হয়। শারীরিক পরিবর্তন ধরা পড়লে কিশোরীর বাবা শফিকুল তাকে পুনরায় বাড়িতে নিয়ে আসে। কিশোরীকে বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য ভয় ভীতি দেখায়। কিন্তু বিষয়টি এলাকার মানুষের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাফিজ উদ্দিন ও ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমানসহ থানায় এসে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করলে মামলা রুজু করা হয়। পরে বিশকাকুনিয়া ইউনিয়নের ধলা যাত্রাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে গতকাল শফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে এবং ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

×