ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

হাসপাতাল খুলে দেওয়াসহ ৪ দফা  দাবি চা শ্রমিক সংঘের

স্বাস্থ্য ও শ্রমমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি 

হাসপাতাল খুলে দেওয়াসহ ৪ দফা  দাবি চা শ্রমিক সংঘের
×

মৌলভীবাজার চৌমোহনা চত্বরে হাসপাতাল খুলে দেওয়াসহ ৪ দফা  দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ করে চা শ্রমিক সংঘ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ২০:৫১

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ক্যামেলিয়া হাসপাতাল খুলে দেওয়াসহ ৪ দফা দাবিতে স্বাস্থ্য ও শ্রমমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে চা শ্রমিক সংঘ। রোববার দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও শ্রমমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়। 

চা শ্রমিকদের প্রতিনিধি চা শ্রমিক সংঘের সহসভাপতি মধু রজক, সাধারণ সাধারণ হরিনারায়ণ হাজরা, সাংগঠনিক সম্পাদক লক্ষ্মীমণি বাক্তি, চা শ্রমিক নেতা সবুজ বাউরী, শত্রুঘ্ন লোহার প্রমুখ স্মারকলিপি তুলে দেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের কাছে। 

স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের চা উৎপাদনকারী শীর্ষ কোম্পানি ডানকান ব্রাদার্সের পরিচালনাধীন মৌলভীবাজার জেলার ১২টি, হবিগঞ্জ জেলার ৪টি চা বাগানের শ্রমিক-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের লক্ষাধিক জনগণের স্বাস্থ্যসেবা দিতে ১৯৯৪ সালে ‘ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ২৭ মার্চ ঐশী রবিদাস নামে এক চা শ্রমিকের সন্তানের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে বড় বড় হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসকদের অনভিপ্রেত ঘটনা প্রায়ই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। আবার তা অল্প সময়ের মধ্যে সমাধানও হয়। চরম দারিদ্র্যে জর্জরিত ও মৌলিক অধিকারবঞ্চিত চা শ্রমিকদের চিকিৎসা সুবিধা থেকে দূরে রাখা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। শ্রমমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে হাসপাতালটি চালুসহ চা শ্রমিক সংঘের পক্ষ থেকে ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি দেওয়ার আগে মৌলভীবাজার চৌমোহনা চত্বরে এক শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হরিনারায়ণ হাজরার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন চা শ্রমিক নেতা কাজল হাজরা, সত্যনারায়ণ নাইডু, সবুজ বাউরী, চা শ্রমিক নেত্রী নমিতা বর্মা, গীতা গোয়ালা, শেফালী র্যা লি প্রমুখ। 

ডানকান ব্রাদার্স নিয়ন্ত্রিত শমশেরনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, ক্যামেলিয়া হাসপাতালের ঘটনার প্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের একটি তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদনের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। 
 

আরও পড়ুন

×