‘ডিজিটাল নকল’কে প্রতিহত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬ | ১৫:৪১
‘নকল’ শব্দটির কবর দেওয়া হলেও এখন ডিজিটালি নকল হচ্ছে এবং সেটাকে সেভাবেই প্রতিহত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, নকল শব্দটির কবর দিয়ে এসেছি অনেক আগেই। এটা নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। কিন্তু এখন নকল হচ্ছে ডিজিটালি। সেটাকে সেভাবেই প্রতিহত করতে হবে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের দেশে শুধু উচ্চশিক্ষা আর উচ্চশিক্ষা; সবাই খালি অনার্স খুলতে চায়। এর কী দরকার?”
এ সময় তিনি সব বোর্ডের খাতা রেন্ডমলি চেক করা হবে উল্লেখ করে বলেন, আমরা দেখব পরীক্ষার খাতায় কেউ কম বা বেশি নম্বর দিয়ে দিল কি না।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘জুলাই মাসের ২০ তারিখে রেজাল্ট দেওয়ার পর ইমিডিয়েটলি আমি কলেজগুলোতে ভর্তি করানোর চেষ্টা করছি। সিনক্রোনাইজ করছি যে—আমি এখানে সময় দেব না। দিলেই তো কোচিং সেন্টারে যাবে; কেন আমি সময় দেব? আমি তাদেরকে তাড়াতাড়ি ভর্তি করানোর চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষায় পরিবর্তন আনতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। সিলেবাস-কারিকুলাম আপডেট করতেই হবে। এবার আমরা চেষ্টা করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—স্মার্ট হতে হবে, তথ্যনিষ্ঠ হতে হবে, রেজিলিয়েন্ট হতে হবে, ভ্যালু-বেসড এডুকেশন হতে হবে, আনন্দদায়ক শিক্ষা ব্যবস্থা করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে বেশি সময় লেগে যাওয়া নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়তে ১০ বছর লাগে, ৬ বছরে ভর্তি হয়। তো কত বছর হলো? ১৬ বছর। টুয়েলভ গ্রেড অব এডুকেশন হবে ১২ প্লাস ৬, কত? ১৮। আর আমরা করছি কত? ২০। প্রত্যেকটি স্টুডেন্টের কাছ থেকে আমরা দুটি বছর করে কেড়ে নিচ্ছি। এতে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি।’
এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এক বছর আগে, দেড় বছর আগে পরীক্ষার রুটিন দিয়ে দেওয়া যায় না? দিয়েছি আমি। অলরেডি আমি ’২৭-এ এসএসসি কবে হবে, ’২৭-এ এইচএসসি কবে হবে, সেটা দিয়ে দিয়েছি। ওয়ান ইয়ার এহেড আমি দিয়ে দিয়েছি, লেট দেম প্রিপেয়ার।’
এভাবে করে আমাদের দেশের শিক্ষার পরিবর্তন আনতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই বলে যোগ করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশনগুলোও আমরা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসব এবং ফোর ইয়ার্স ইউনিভার্সিটি হ্যাজ টু বি ফিনিশড উইদিন ফোর ইয়ার্স। হোয়াই নট? ইউনিভার্সিটি কি আমাদের নিয়মের বাইরে?’
