যমুনার গ্রাসে ১৫ বসতভিটা ভাঙনের ঝুঁকিতে মাদ্রাসা
যমুনার ভাঙনের ঝুঁকিতে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা সমকাল
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৩৮
যমুনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা। এরই মধ্যে মাদ্রাসার সীমানা প্রাচীরের একাংশ নদীতে ধসে গেছে। এ ছাড়া আশপাশের অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। স্থানীয়রা ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
চরকালিকাপুর গ্রামের রমজান শেখ জানান, গত ১৫ দিনের ভাঙনে তাঁর বাড়িসহ প্রতিবেশী আফসার উদ্দিনের বাড়ি নদীতে চলে গেছে। ১৫ দিন আগেও তাঁর বাড়ি ছিল নদী থেকে প্রায় ২শ ফুট দূরে। গত শুক্রবার দুপুরের মধ্যে ১২ শতাংশের বাড়িটি নদীতে চলে যায়। এখন পরিবার নিয়ে অন্যের জায়গায় কোনো রকমে আছেন তিনি।
মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা মুহাম্মদ বাকি বিল্লাহ বলেন, তিন দিন আগে মাদ্রাসার সীমানা প্রাচীরের একাংশ নদীতে ধসে গেছে। গত ১৩ জুন থেকে ভাঙনরোধে মাদ্রাসার সামনে নদীর তীরে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা শুরু হয়। নদী ভাঙনের প্রবণতা বেশি হওয়ায় বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলার পরও ভাঙন ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
এরই মধ্যে কয়েক দফায় মাদ্রাসাসহ আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেছেন পাউবোর মানিকগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান। মঙ্গলবারও তিনি মাদ্রাসা এলাকায় যান। তিনি বলেন, গত বছরও মাদ্রাসার সামনে ও আশপাশে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হয়। তবে নদীর পার বালুমাটি হওয়ায় ভাঙন ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। এবারও ভাঙন ঠেকাতে সেখানে ১৮ হাজার জিওব্যাগ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেখানে কাজ শুরু হয়েছে। দৌলতপুর উপজেলায় নদীভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে।
- বিষয় :
- যমুনা