ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ডিডিএন কার্যালয়ে হামলা-লুট

হামলার নেতৃত্বে তিন জন, গ্রেপ্তার আরও ৯

হামলার নেতৃত্বে তিন জন, গ্রেপ্তার আরও ৯
×

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬ | ০৮:৪৯

চট্টগ্রামে দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের নেতৃত্ব দেয় রোহেন মিয়া ওরফে মাইকেল, সামি ও রাজু। তারা রাউজান, বাকলিয়া, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক সংগ্রহ করে।

সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের নির্দেশে তিন ভাগ হয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় তারা। ভাঙচুরে সরাসরি অংশ নেয় ২০ জনের একটি দল। একটি দল ডিডিএন কার্যালয়ে অবস্থান নেয়। আরেকটি দল পুলিশ আসছে কিনা দেখতে সড়কে পাহারায় ছিল। গতকাল রোববার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান।

এ অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা ও নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া রোহেন মিয়া ওরফে মাইকেল রয়েছে। বাকি ৮ আসামি হলো– মো. তুহিন, আকবর হোসেন, মো. আবদুল মুমিন, মাসুদ মিয়া, দিদার মিয়া, সানজাত হাসান, সৈকত হোসেন ও মো. সাইফুদ্দিন।

গত ১১ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে কল করে নিজেকে ‘ডেবিট ইমন’ পরিচয় দিয়ে ডিডিএনের মালিক আদিল বিন মামুনের কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় দুই দিন পার হওয়ার পর ১৩ জুলাই ওই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে মুখোশধারী একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত। কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় ওই দিনই মামলা করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান জানান, হামলাকারীরা রাউজান, বাকলিয়া, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসে করে লোক এনে প্রথমে বহদ্দারহাট মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাকলিয়া এক্সেস রোডে যায়। সেখানে সবাইকে মাইকেল ব্রিফ করে– কীভাবে ভাঙচুর করা হবে, কীভাবে ফিরে আসা হবে।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী আটজনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে ১৫ জুলাই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) চকবাজার থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলো– মো. ইউনুস, ইমরান হোসেন চ্যাং, আকবর হোসেন, মো. সুমন, মো. মনির ওরফে কেহেরমান, গিয়াস উদ্দিন, মো. নয়ন ও মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ।

আরও পড়ুন

×