ঢাকা শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাকসু ভবনে হামলার ঘটনায় আম্মারের মামলা, আসামি ৫

রাকসু ভবনে হামলার ঘটনায় আম্মারের মামলা, আসামি ৫
×

সালাহউদ্দিন আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ২০:০৩ | আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ২০:০৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের ওপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়। গত ১০ আগস্ট রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলী আদালতে মামলাটি করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। আজ মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহা. সালাহউদ্দিন সমকালকে বলেন, গত ১০ আগস্ট আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। ওইদিনই আদালত বিষয়টি তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিআইবি) ওপর দেন আদালত। পিআইবির তদন্ত শেষে যাচাই করে আদালত আমলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন।

মামলায় অভিযুক্তরা শিক্ষার্থীরা হলেন ইতিহাস বিভাগের  মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের আজহারুল ইসলাম। এদের মধ্যে আনাস ও মাহমুদুল হাসান মাহিনকে গত ২৭ জুলাই রাকসু ও শিবির নেতারা দফায় দফায় মারধর করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুরের পর রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় জিএসের ২০২ নম্বর অফিসে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা সেখানে জড়ো হয়ে জোর করে অফিসে ঢুকেন। অফিসে ঢুকে আসামিরা আম্মারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। এক পর্যায়ে অফিসের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করা হয়। 

মামলার আবেদনে বলা হয়, একপর্যায়ে আনাস লোহার রড দিয়ে নাজমুস সাকিবকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে। আঘাত ঠেকাতে গিয়ে তার ডান হাতে রক্তাক্ত জখম হয়। এ ছাড়া নাজমুস সাকিবকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে মাহিন মেহেদীর বাম কানে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়।

মামলার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, একটা মামলা করছি। এটা শুধু কনসার্ন করে রাখা। আর কিছু না।

আরও পড়ুন

×