ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাপ্তাই হ্রদে ৭ দিনে ২২৪ টন মাছ আহরণ, রাজস্ব আয় ৫০ লাখ টাকা

কাপ্তাই হ্রদে ৭ দিনে ২২৪ টন মাছ আহরণ, রাজস্ব আয় ৫০ লাখ টাকা
×

ছবি- সমকাল

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৩:৪৪

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে কাপ্তাই হ্রদে পুরোদমে শুরু হয়েছে মাছ আহরণ ও বিপণন। কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের আওতাধীন মৎস্য উপকেন্দ্রে গত সাত দিনেই ২২৪ টন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৫০ লাখ টাকা।

গত সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপ্তাই মৎস্য আহরণ উপকেন্দ্রের প্রধান জসীম উদ্দিন। তিনি জানান, গত ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে হ্রদে মাছ ধরা শুরু হয়। ১১ আগস্ট প্রথম দিনেই সবচেয়ে বেশি ৫৩ দশমিক ১৯৮ টন মাছ আহরিত হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় দিন ৩৬ দশমিক ৯৭৮ টন, তৃতীয় দিন ২৬ দশমিক ৪৯৮ টন, চতুর্থ দিন ৩২ দশমিক ৭৮২ টন, পঞ্চম দিন ২৭ দশমিক ২৪৫ টন, ষষ্ঠ দিন ২৮ দশমিক ৪৯৭ টন এবং ১৭ আগস্ট সপ্তম দিনে ১৯ দশমিক ৩২০ টনসহ মোট ২২৪ টন মাছ আহরণ করা হয়েছে। এতে শুরু থেকেই জেলেদের মাঝে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে।

স্থানীয় জেলে ওমর আলী, সুবল দাস ও মো. আরব আলী জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার হ্রদে আইড় মাছের পরিমাণ ও আকার দুটোই বেড়েছে। তবে কাচকি ও চাপিলা জাতীয় ছোট মাছের আধিক্য সবচেয়ে বেশি। শুরুর দিকে হ্রদে পানি বেশি থাকায় মাছ ধরতে কিছুটা সমস্যা হলেও বর্তমানে পানি কমতে থাকায় আহরণের পরিমাণ বাড়ছে।

কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদের মাছের সুখ্যাতি দেশজুড়ে। দূর-দূরান্ত থেকে নামিদামি প্রতিষ্ঠান এখানে মাছ কিনতে আসছে। আশা করছি, অন্যান্য বছরের মতো এবারও ব্যবসায়ীরা ভালো লাভ করতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের সুষম বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ ধরা, পরিবহন ও বিপণনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। পরে হ্রদের পানির স্থিতি বিবেচনা করে ১০ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত তা বর্ধিত করা হয়।

 

আরও পড়ুন

×