ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তিন মাসেও মেলেনি বরাদ্দ শ্রেণিকক্ষে দাপ্তরিক কাজ

তিন মাসেও মেলেনি বরাদ্দ শ্রেণিকক্ষে দাপ্তরিক কাজ
×

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:০৮

| প্রিন্ট সংস্করণ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তিন মাসেও মেলেনি সরকারি বরাদ্দ। 
স্থানীয় এমপি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের জন্য বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিলে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতিগ্রস্ত অফিস কক্ষ তিনটি মেরামত করা সম্ভাব হয়নি। দীর্ঘ তিন মাস ধরে শ্রেণিকক্ষে বসে অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। 

এ ছাড়া ঝড়ে পৌরসভার হাবলুর মোড়ের পূর্ব পাশে সড়কের একটি বিশাল সরকারি রেইনট্রি গাছও এখনও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মধ্যে পড়ে রয়েছে। জমির মালিক পড়ে থাকা গাছের অংশ বাদ দিয়ে বাকি জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করেছেন।

গত ১৭ মে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভাসহ ছয়টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এতে সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ওপর একটি বিশাল আকৃতির বটগাছ উপড়ে পড়ে প্রধান শিক্ষক, করণিক ও শিক্ষকদের মিলনায়তন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে মেরামতের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়া ঝড়ে বেশ কিছু সংখ্যক সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেসব প্রতিষ্ঠানেরও তালিকা নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ তিন মাসেও মেলেনি সরকারি বরাদ্দ।
সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক জ ম হাবিবা বেগম বলেন, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এমপি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিশ্রুতির বরাদ্দ মেলেনি। ঝড়ে উপড়ে পড়া বটগাছটি নিলামে প্রায় ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। ওই টাকা দিয়ে কোনো কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত গাছটির গোড়া সরানো সম্ভব হয়নি। কষ্ট করে শ্রেণিকক্ষে বসে অফিসিয়াল কাজ করতে হচ্ছে।
সুন্দরগঞ্জের ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তাছাড়া উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে দেওয়ার মতো বরাদ্দ ছিল না। সে কারণে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয় এমপি মাজেদুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে বিতরণ করা হবে।   

আরও পড়ুন

×