ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পর্যটকবাহী হাউসবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ, দুদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

পর্যটকবাহী হাউসবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ, দুদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
×

রুকাইয়া নুর। ছবি: সংগৃহীত

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৩১ | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৩৪

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চলন্ত হাউসবোট থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজের দুই দিন পর রুকাইয়া নুর (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের দক্ষিণে বৌলাই নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুকাইয়া নুর ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার গল চামোট ২ নম্বর সড়ক এলাকার চিকিৎসক ডা. শাহনুর রহমানের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুকাইয়া নুরসহ প্রায় ২০ জন পর্যটক ‘সাফিনা এ লাক্সারী ওয়াটার ভিলা’ নামের একটি হাউসবোটে করে মধ্যনগর থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর ও তাহিরপুরের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ঘুরতে যান। শুক্রবার দুপুরে হাউসবোটটি টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে যাদুকাটা নদীর উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে দক্ষিণকুল গোদারাঘাট এলাকায় বৌলাই নদীতে পৌঁছালে বেলা পৌনে ৩টার দিকে চলন্ত হাউসবোট থেকে হঠাৎ পানিতে পড়ে যায় রুকাইয়া। পরে হাউসবোটে থাকা পর্যটক ও সংশ্লিষ্টরা নদীতে নেমে এবং বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বৌলাই নদীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে রোববার সকালে পিরোজপুর গ্রামের কাছে বৌলাই নদীতে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

হাউসবোটে থাকা পর্যটক সাজ্জাদ হোসেন সিয়াম বলেন, মধ্যনগর থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে হাউসবোটটি যাদুকাটার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পথে বেলা পৌনে ৩টার দিকে শিশুটি নদীতে পড়ে যায়। এরপর বোটে থাকা সবাই তাকে খোঁজার চেষ্টা করলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর রোববার সকালে বৌলাই নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
 

আরও পড়ুন

×