ঢাকা বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

এসপির বাসভবনের টয়লেট থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

এসপির বাসভবনের টয়লেট থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার
×

হাবিবুর রহমান (৩৩)

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ | ২১:৩৪

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের (এসপি) বাসভবনের গার্ড রুমসংলগ্ন টয়লেট থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকেল চারটার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হাবিবুর রহমান গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি নীলফামারীতে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার বিকেল চারটার দিকে পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিনের বাসভবনের গার্ড রুমসংলগ্ন টয়লেটের ভেতরে ছাদের একটি বাঁকানো লোহার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় হাবিবুর রহমানকে পাওয়া যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর টয়লেটে প্রবেশের পর দীর্ঘ সময় বের না হওয়ায় গার্ড রুমে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা দরজায় ধাক্কা দেন। পরে দরজা খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাকে উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে হাবিবুর রহমান আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন বলেন, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে পুলিশ লাইন থেকে তার বাসভবনে দায়িত্ব পালনের জন্য হাবিবুর রহমানকে আনা হয়েছিল। বুধবার টয়লেটে ঢোকার আগে মুঠোফোনে স্ত্রীর সঙ্গে রাগ করে কথা বলছিলেন তিনি। এ সময় স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ‘দেখো, আমি কী করতে পারি’ এ ধরনের কথা বলেছিলেন। এরপর তিনি টয়লেটের দরজা বন্ধ করে দেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তার বাবা নীলফামারী থেকে গাইবান্ধায় আসছেন।

আরও পড়ুন

×