ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌসুম শেষে বাজারে আশ্বিনা আম, দাম নাগালের বাইরে

মৌসুম শেষে বাজারে আশ্বিনা আম, দাম নাগালের বাইরে
×

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:৩৫

রাজশাহীর ৯ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয় জেলার বাঘা-চারঘাট উপজেলায়। এবার উৎপাদন কম হয়েছে। তবে আশ্বিনা আমের ফলন তুলনামূলক ভালো হলেও আমের মৌসুম শেষ হয়েছে মাস দুয়েক আগেই। গাছে এখন আর আম নেই। কিন্তু অসময়ে বাজারে হঠাৎ করেই চলে এসেছে সুস্বাদু আশ্বিনা আম। ভাদ্র-আশ্বিন মাসে পাকে বলেই এর নাম আশ্বিনা। আমের মৌসুমে যে স্বাদ মিস করেছেন, সেই স্বাদ এখন পূরণ করছে আশ্বিনা। শারীরিক প্রতিবন্ধী এক বিক্রেতা জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন আমি বিক্রি করে।

শুক্রবার বাঘা বাজারে দেখা গেল পাকা আশ্বিনা আম নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ভ্যানে সাজিয়ে রাখা বড় আকারের হলুদ-কমলা রঙের আম দেখে ক্রেতারাও আগ্রহ নিয়ে কিনছেন।

বাঘার বাগান মালিক মাজদার রহমান জানান, এবার স্থানীয় বাগানগুলোতে আশ্বিনা আমের ফলন ভালো হয়েছে। তবে ভালো দাম পাওয়া যায়নি। যে কারণে দামও ছিল ক্রেতার নাগালের মধ্যে। দাম কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরাও স্বাচ্ছন্দ্যে কিনতে পেরেছেন।

বাঘা পৌরসভার বাজু বাঘা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আব্দুল হালিম মিঞা জানান, চলতি পথে আমের রং দেখে মনে চাইলো ছেলে মেয়ের জন্য বাসায় নিয়ে যায়। কিনতে গিয়ে দেখলাম দাম নাগালের বাইরে। প্রতি কেজি ৮০ টাকা। শেষমেষ প্রতিটি এক কেজি ওজনের ২টা কিনলাম, মৌসুম শেষে আমের স্বাদ নেওয়ার জন্য।

বিক্রেতা উজ্জ্বল হোসেন জানান, জেলার বাইরে চাপাই থেকে আম সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করছেন। অসময়ের কারণে বেশি দামে কিনতে হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা শফিউল্লাহ সুলতান জানান, আশ্বিনা মূলত নাবী জাতের আম। ভাদ্র-আশ্বিন মাসেই এটি বাজারে আসে। অসময়ে ফল পাওয়ায় ক্রেতাদের কাছে এর চাহিদাও বেশ।

আরও পড়ুন

×