ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিয়ে নিয়ে বিরোধের জেরে হুমকি, প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা

বিয়ে নিয়ে বিরোধের জেরে হুমকি, প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা
×

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:৪৭ | আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:৫২

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে আব্দুল মান্নান (৬২) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহতের স্বজনরা এ ঘটনায় মোজাম্মেল (৪৫) নামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, ভিকটিমের বাড়ির আত্মীয়দের দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে মঙ্গলবার রাতে আব্দুল মান্নানের ওপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল মান্নান রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী এলাকার হাফেজ বজলুর রহমানের বাড়ির মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়ে সংক্রান্ত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আব্দুল মান্নানের এক চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে মোজাম্মেলের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার স্থানীয় বাজারে বিষয়টি নিয়ে মোজাম্মেল হুমকি দিলে আব্দুল মান্নান এর প্রতিবাদ করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয়রা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাতে আব্দুল মান্নানের ওপর হামলা চালান মোজাম্মেল ও তাঁর সহযোগীরা। এশার নামাজের পর বাড়ি থেকে বের হয়ে অন্ধকার একটি স্থানে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে উপর্যুপরি কোপানো হয়। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাউজানের পাহাড়তলী এলাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ওসি মো. জহির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন

×