ঢাকা বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
×

পুলিশি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে বরগুনার পাথরঘাটায় বিএফডিসি ঘাটে গতকাল মঙ্গলবার পথসভা করে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির কাছে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এনামুল হক ইমু সমকাল

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৪৭

| প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এনামুল হক ইমু পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে পাথরঘাটা বিএফডিসি মার্কেটে মৎস্যজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করে পথসভার মাধ্যমে চিপ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির কাছে ক্ষমা চান তিনি।

এনামুল হক ইমু জানান, গত ৬ আগস্ট পাথরঘাটার কিছু ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীকে চোর অপবাদ দিয়ে মারধর করেন চিপ হুইপের ভাগনে মামুনসহ কয়েকজন। এ সময় প্রতিবাদ করেন তিনি। এতে মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। এই মামলায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে ৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে একদল পুলিশ তাঁকে বিএফডিসি (বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন) ঘাটে গ্রেপ্তার করতে আসে। এ সময় ঘাটের শ্রমিকরা পুলিশের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তাঁকে গ্রেপ্তার না করেই ফিরে যায়। এর পর থেকে পাথরঘাটা থানার ওসি তাঁকে থানায় হাজির হওয়ার জন্য ফোন করে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইমু বলেন, আওয়ামী লীগের ১৭ বছর বিভিন্ন সময়ে জেল খেটে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করেছি। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর এখন পুলিশ দিয়ে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। ১৭ বছরের আন্দোলনের প্রতিদান এখন পুলিশি হয়রানি।

মৎস্যজীবীদের নিয়ে পথসভা করে চিপ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা ও মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি চান স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এনামুল হক ইমু। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মোর্শেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সহসভাপতি ইমরান হোসেনসহ অন্তত ৪০০ মৎস্যজীবী।
নুরুল ইসলাম মনির ভাগনে মামুন বলেন, ‘ভাঙাড়ি ব্যবসায়িরা চোর পালেন। আমার বরফকল থেকে তার চুরি করে ভাঙাড়ি দোকানে বিক্রি করেছে। আমি চোর ধরে মালপত্র উদ্ধার করতে গেলে আমার ওপর ইমু বাহিনী হামলা করে। আমি এক সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। পরে মামলা করেছি। আমি তার বিচার চাই।’
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, ইমুকে হয়রানি করা হচ্ছে না। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। বিষয়গুলো সত্য না মিথ্যা যাচাই করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×