কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ১১:১৪
কক্সবাজার শহরের বাসটার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে কুলসুমা আক্তার নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কক্ষে থাকা তার দুই বছরের শিশুকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে কুলসুমার সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে ওঠা এক যুবকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত ৮টার দিকে বাসটার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টে থেকে কুলসুমার লাশ উদ্ধার করা হয়।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এক অজ্ঞাত যুবক ও কুলসুমা দুই বছরের শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই কক্ষে ওঠেন। হোটেলের রেজিস্টারে ঠিকানা হিসেবে ঈদগাঁও উপজেলার ভাদিতলা উল্লেখ করা হয়।
কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে ভেতর থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরে ওয়াশরুমে গিয়ে কুলসুমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবকের পরিচয় নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, ওই যুবক কুলসুমার স্বামী হারুন নন। পরিবারের সদস্যরাও তাকে চেনেন না। হোটেল কর্মচারীরা ওই যুবকের নাম আরফান বলে জানালেও তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, কুলসুমার স্বামী হারুনের সঙ্গে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলায় হাজিরা দিতে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে থাকা যুবকটি তাঁর স্বামী নন। তাকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।
নিহত কুলসুমা আক্তার কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার চান্দেরঘোনা এলাকার আলমের মেয়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ ও রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা করে কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাকে শনাক্ত ও আটক করা গেলে কুলসুমার মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
- বিষয় :
- কক্সবাজার
- আবাসিক হোটেল
- মরদেহ উদ্ধার
- পুলিশ