সাবেক সেনাসদস্যের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি
ধর্মপাশায় সাবেক সেনাসদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও বিচারের দাবিতে গতকাল সোমবার ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সমকাল
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:০৭
| প্রিন্ট সংস্করণ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফজলুর রহিম কাজলের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুর ২টায় ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা কাজলের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
গত শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর গ্রামের নির্জন এলাকায় অবস্থিত একটি গাছের মগডাল থেকে কাজলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যক্তিত্ব তোফাজ্জ্বল হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে ও মুখলেছুর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য দেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী খায়রুল বশর ঠাকুর খান, বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জুলফিকার আলী ভুট্টো, সেলবরষ ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফরিদ খোকা, বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইসতিয়াক হোসেন চৌধুরী স্বপন, সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের সোনা মিয়া, সেলবরষ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আহম্মদ আলী, কাজলের ভাই ফজলুল করিম বুলবুল প্রমুখ।
কাজল গত বুধবার সকালে বাড়ি থেকে কর্মস্থলের উদ্দেশে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরে ওইদিন রাতেই তাঁর ছেলে মারুফ হাসান রনক ধর্মপাশা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গত শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর গ্রামের একটি গাছ থেকে কাজলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কাজলের পরিবারের দাবি তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের ডালে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
- বিষয় :
- দাবি