রিট খারিজ, খুলনা চেম্বার নির্বাচনে বাধা নেই
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:১০
খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আয়োজনে আর কোনো আইনি বাধা নেই। ভোটার তালিকায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট পিটিশনটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং যাচাই-বাছাই শেষে গত ১২ অক্টোবর মামলার চূড়ান্ত রায় ও এর পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ডাকযোগে কপি খুলনায় এসে পৌঁছায়। স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় থমকে থাকা নির্বাচন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর পথ সুগম হলো।
চেম্বার অব কমার্স থেকে জানা গেছে, চলতি বছর ২২ মে খুলনা চেম্বারের প্রথম দফার নির্বাচনী তপশিল ঘোষণা করা হয়। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত ছিল ২২ আগস্ট। পরবর্তীতে মামলার কারণে তপশিল সংশোধন করে ভোটগ্রহণের পরিবর্তিত নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করায় গত ২০ আগস্ট নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচনী বোর্ড।
গত ১২ অক্টোবর বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী এবং বিচারপতি এ.এফ.এম. সাইফুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বেঞ্চ উল্লেখ করেন, ‘আবেদনের বিষয়বস্তু ছিল ৮৯৮ জন সদস্যের অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে এবং এই বিষয়টি ইতিমধ্যে আপিল বোর্ড কর্তৃক নিষ্পত্তি হয়েছে। যেখানে কেসিসিআই-এর ভোটার তালিকা থেকে ৬৯৭ জন সদস্যকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, তারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সুতরাং, মূলত আবেদনকারীর ক্ষোভের বিষয়টি ইতিমধ্যে নিরসন করা হয়েছে।’
নির্বাচনী আপিল বোর্ড বিতর্কিত ৬৯৭ জন নতুন সদস্যকে বাদ দিয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করায় আদালত রিটটি খারিজ করে দেন।
খুলনা চেম্বারের বর্তমান প্রশাসক ও খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সাঈদ মো. মনজুর আলম বলেন, ‘উচ্চ আদালত কর্তৃক রিটটি খারিজ হয়ে যাওয়ায় কেসিসিআই নির্বাচন আয়োজনে আর কোনো আইনি বাধা রইল না। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী বোর্ডের সঙ্গে বসে ভোটের নতুন তারিখ পুনর্নির্ধারণ করবো।’
- বিষয় :
- খুলনা