ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

এইচএসসির ফল

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯
×
×

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:২৭ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:২৮

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার সামান্য কমলেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এ বছর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠান।

শনিবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১৪টি কেন্দ্রে ২৮০টি কলেজের ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। মেয়েদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৯৭ জন। সে হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩ হাজার ১৬৮ জন।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে কম পাসের হার খাগড়াছড়িতে, ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানান, এবার তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। বিপরীতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে ছয়টি কলেজে। শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বাড়বকুন্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কোয়ান্টাম কসমো কলেজ, রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লিডার স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো মেরন সান কলেজ, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিআইএএম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন ও উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আবদুল মান্নান।

বোর্ড সংশ্লিষ্টদের মতে, তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষার্থীদের তুলনামূলক কম পাসের হার এবং ছাত্রদের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে খারাপ হওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে যাওয়াও ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আরও পড়ুন

×