ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

পাবনায় ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

পাবনায় ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
×

আদালত চত্বরে উভয় পক্ষের লোকজন

পাবনা অফিস

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ০৩:৪৪ | আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ০৩:৪৯

পাবনায় এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় দুইজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অন্য দুইজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

বুধবার দুপুরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার দাড়িয়াল গ্রামের মৃত আনোয়ার খানের ছেলে ইকবাল খান (৪৪) ও পাবনার সুজানগর উপজেলার নিয়োগীর বনগ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন (৪৫)। 

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন-টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মৃত রবু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২৭) ও একই উপজেলার ছয়শো করোটিয়া গ্রামের মৃত ছাইদ মিয়ার ছেলে ইয়াসিন মিয়া (৫৫)।

মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, মোবাইলে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার রুবেলের কাছে চলে যান রাজবাড়ির কালুখালি উপজেলার জলিল সরদারের মেয়ে কাকলী খাতুন (২২)। 

২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কাকলীকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায় রুবেলের বন্ধু ইকবাল ও আজিম। বাড়িতে ফিরিয়ে না দিয়ে সুজানগরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করেন তারা।  

পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর সুজানগরের রামজীবনপুর মাঠ থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে পুলিশ কাকলীর মরদেহ উদ্ধার করে। 

এ ঘটনায় পুলিশ অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করে। পরে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জড়িত সন্দেহে উল্লিখিত চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে ইকবাল ও আজিম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। 

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালে চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলফিকার আলী। স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার ইকবাল ও আজিমকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন আদালত। 

এছাড়া রুবেল ও ইয়াসিন নামের দুইজনকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ খান রতন ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব। 

আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কাজী মকবুল আহমেদ বাবু, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ও অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন।

আরও পড়ুন

×