এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৩ ছাত্রী ধর্ষণের শিকার
প্রতীকী ছবি
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:৩৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, রাজশাহীর পুঠিয়া ও সাতক্ষীরার তালায় তিন ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পৃথক এসব ঘটনায় মঙ্গলবার পুলিশ মসজিদের ইমামসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ অভিযোগে পুলিশ উপজেলার বংশাই এলাকার আতিকুল সিকদারের ছেলে রাকিবুল (২৪) ও রফিকুল সিকদারের ছেলে সোহানকে গ্রেপ্তার করেছে। গত ২০ নভেম্বর রাকিবুল ও সোহান এসএসসি পরীক্ষার্থী ওই কিশোরীকে বেলতৈল গ্রামের জসিম সিকদারের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে কিশোরীর বাবা মির্জাপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শ্যামল কুমার দত্ত জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার দু'জনকে মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রাজশাহী ব্যুরো জানায়, পুঠিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার সেনভাগ বাজারের বাড়ি থেকে ইয়াকুব আলী (৩৫) নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নরসিংদীর আবুল হোসেনের ছেলে।
পুঠিয়া থানার ওসি রেজাউল ইসলাম জানান, আরবি পড়ানোর সূত্র ধরে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোরীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে ইয়াকুব। গত জুনে মেয়েটির গর্ভপাত ঘটানো হয়। মেয়ের পরিবার তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ইমাম সব অস্বীকার করে। এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিশের একপর্যায়ে গত সোমবার থানায় মামলা করেন মেয়েটির বাবা। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দু'জনকে আটক করেছে র্যাব। ধর্ষকরা হলো- তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামের আকবর আলী গাজী ও একই উপজেলার জালালপুর গ্রামের হোসাইন মোড়ল।
মঙ্গলবার প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক লে. মাহমুদুর রহমান জানান, কথিত প্রেমিক হোসাইন মোড়ল ও তার সহযোগী আকবর ফুসলিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে শহরের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন হাসান আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা ট্যাবসহ ওই দু'জনকে আটক করা হয়েছে।