ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

পায়েল হত্যা: ফের বিচার শুরু হলো ঢাকায়

পায়েল হত্যা: ফের বিচার শুরু হলো ঢাকায়
×

নিহত পায়েল

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৭:১২

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েল হত্যা মামলা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল-১ এ পুনরায় শুরু হয়েছে বিচার। 

প্রসঙ্গত, তিন আসামির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিচারের ওপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি মামলাটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। এমন নির্দেশনার পর আগের প্রজ্ঞাপন সংশোধনের পর নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। 

চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আইয়ুব খান বলেন, পায়েল হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করতে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। তাই মামলার যাবতীয় নথিপত্র ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।'

মামলার বিচার প্রক্রিয়া ফের শুরু হওয়া প্রসঙ্গে ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল-১ এর স্পেশাল পিপি মোহাম্মদ আবু আবদুলতাহ ভূঞা বলেন, আগের আদালতে বিচার প্রক্রিয়া যেখানে স্থগিত ছিল সেখান থেকেই নতুন করে চালু হয়েছে এ মামলা। বেশিরভাগ স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ায় খুব দ্রুত এ মামলার রায় হবে বলে প্রত্যাশা করছি আমরা।

চট্টগ্রামের আদালতে এ মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল।

২০১৮ সালের ২১ জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিন শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন সাইদুর রহমান পায়েল। ২৩ জুলাই মুন্সিগঞ্জ উপজেলার ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ। হানিফ পরিবহনের ওই বাসের সুপারভাইজার জনিকে ঢাকার মতিঝিল এবং চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেনকে আরামবাগ থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে জামাল হোসেন ও ফয়সাল হোসেন দুই ভাই। এ ঘটনায় পায়েলের মামা গোলাম সরোয়ার্দী বিপ্লব বাদী হয়ে চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গজারিয়া থানার পুলিশ ওই তিনজনকে আসামি করেই ওই বছরের ৩ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দেয়।

পরে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার বিচার কাজ শুরু হলেও পরিবারের আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ গত বছর ২৪ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়। এরপর থেকে মামলাটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালেই বিচারাধীন ছিল।

আরও পড়ুন

×