খুলনা জেলা পরিষদ
সাবেক প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৯:০২ | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৯:০৪
খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান সহকারী মো. মিজানুর রহমানের ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের অডিটে। ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে চার বছরে তিনি এ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে জেলা পরিষদের আর্থিক খাত নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের অডিট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে গত ১৮ নভেম্বর আট লাখ টাকা ফেরতও দিয়েছেন মিজানুর। বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য দুই মাসের সময় চেয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে মো. মিজানুর রহমান বলেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। এ জন্য বিনা কারণে তাকে মাগুরা বদলি করা হয়। যে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের টাকা উত্তোলন করতে সাত থেকে আটজনের স্বাক্ষর প্রয়োজন। সেখানে শুধু তার একার পক্ষে এত টাকা তুলে নেওয়া কি আদৌ সম্ভব? আর নিলেও তার ওপরের পদে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা থাকতে তিনি একা অভিযুক্ত হলেন কীভাবে?
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলা পরিষদের ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আর্থিক খাত অডিট করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার। গত জুলাই মাসে তিনি অডিট প্রতিবেদন জমা দেন। অডিটে দরপত্রের সিডিউল বিক্রি ও খেয়াঘাট ইজারার ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সুপারিশের আলোকে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসাৎ করা অর্থ জমা দেওয়ার জন্য নোটিশ দিলে মিজানুর রহমান গত ১৮ নভেম্বর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অনুকূলে ইউসিবি ব্যাংক খুলনা শাখায় আট লাখ টাকা জমা দেন। অবশিষ্ট টাকা জমা দিতে দুই মাস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ বলেন, দুর্নীতি করে কেউ রেহাই পাবে না। ইতোমধ্যে আট লাখ টাকা ফেরত নেওয়া হয়েছে। বাকি টাকাও নেওয়া হবে।
- বিষয় :
- খুলনা জেলা পরিষদ
- টাকা আত্মসাৎ
- অডিট
