বাল্যবিয়ে দেওয়ায় বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের মামলা, স্বামী গ্রেপ্তার
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বদরুল আলম
বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৯:০৮ | আপডেট: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৯:১৫
সিলেটের বিশ্বনাথে বাল্যবিয়ে দেওয়ায় প্রবাসী বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সুমাইয়া আক্তার রানী (১৬) নামে এক কলেজছাত্রী। মামলায় স্বামী বদরুল আলমসহ (২৯) আরও দু'জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর বৃহস্পতিবার বদরুলকে উপজেলার মঝগাঁওয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে কিশোরী সুমাইয়াকেও ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
সুমাইয়া সিলেট মদমোহন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা মাঝগাঁও গ্রামের আব্দুল যুক্তরাজ্য প্রবাসী। গ্রেপ্তার বদরুল ওই গ্রামের মুক্তার আলীর ছেলে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বনাথ থানায় মামলা করেন সুমাইয়া। মামলায় ওয়াজির বাবুলের বিরুদ্ধে জোর করে বাল্যবিয়ে এবং বদরুল আলমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। মামলার অপর দুই আসামি হলো- সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কিজিরপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে রাজিব আহমদ ও হাওয়া পাড়ার মৃত করিম উল্লাহর ছেলে দিলোয়ার হোসেন।
বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, কিশোরী মেয়ের মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বাবা লন্ডনে থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। মামলার দুই নম্বর আসামি তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বাবুল। গত ১০ নভেম্বর সুমাইয়াকে বদরুলের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দিয়ে ফের তিনি লন্ডন চলে যান।
- বিষয় :
- বাল্যবিয়ে
- গ্রেপ্তার স্বামী
- বিশ্বনাথ
