ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

দৌলতদিয়ায় নদী পারাপারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন

দৌলতদিয়ায় নদী পারাপারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন
×

নদীর দুই পারেই আটকা পড়েছে শতশত যানবাহন, ছবিটি বৃহস্পতিবারের -সমকাল

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৪:০৪

ঘন কুয়াশার কারণে ব্যস্ততম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে টানা ৭ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এতে শুক্রবার দৌলতদিয়ায় নদী পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে শতশত যানবাহন। কনকনে শীতের মধ্যে আটকা পড়া যানবাহনের হাজার হাজার যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটসহ আশপাশের এলাকায় কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত ১০টার দিকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় নদী এলাকা। কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা সংকুচিত হয়ে মার্কিং বাতি অস্পষ্ট হয়ে গেলে যে কোন ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে গিয়ে মাঝ নদীতে নোঙর করে থাকতে বাধ্য হয় চারটি ফেরি।

এদিকে শুক্রবার ঢাকায় আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা উপজেলা হতে অসংখ্য নেতাকর্মী বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। স্বাভাবিক যানবাহনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে যোগ দিতে যাওয়া যানবাহনের কারণে দুপুরের পর থেকে ঘাট এলাকায় মহাসড়কে দীর্ঘ সিরিয়ালের সৃষ্টি হতে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় রাতে যানবাহনের সারি আরও দীর্ঘ হতে থাকে। আটকা পড়া এসকল যানবাহন ও মাঝ নদীতে আটকে থাকা ফেরির যাত্রীরা অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে সড়কেই সারারাত কাটে হাজার হাজার যাত্রীর। পরে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমে এলে সর্তকতার সঙ্গে ধীরে ধীরে ফেরি চলাচল শুরু করে। 

সরেজমিন শুক্রবার দুপুরে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার জুড়ে নদী পারের অপেক্ষায় আটকে থাকা যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এছাড়া দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় যানবাহনের সারি ছোট রাখতে ঘাট থেকে ১২ কিলোমিটার দুরে গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় শতশত পন্যবাহী ট্রাক আটকে রাখা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ কারণে যানবাহনের সিরিয়াল সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে ছোট-বড় ১৫টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করছে।

আরও পড়ুন

×