করোনা মোকাবিলা
১৭ সদস্যের জাতীয় পরামর্শক কমিটি
×
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২০ | ১২:২৪ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবেলায় একটি 'জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি' গঠন করেছে সরকার। গত শনিবার স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জারি করা এক আদেশে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি ও শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাকে। জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাকে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শায়লা খাতুন, বিএসএমএমইউ'র সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মাহমুদ হাসান, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউ'র সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, অব্সটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম, আইসিডিডিআর'বির ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড রিসার্চ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ডা. শামস এল আরেফিন, জ্যেষ্ঠ এনেসথিওলজিস্ট অধ্যাপক খলিলুর রহমান, জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম, বিএসএমএমইউ'র মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. হুমায়ন সাত্তার, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা, আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. আব্দুল মোহিত।
এ কমিটিকে কভিড-১৯ প্রতিরোধ এবং হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধি বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব চিকিৎসক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে পরামর্শ এবং স্বাস্থ্যসেবা দানকারী চিকিৎসকসহ অন্যদের উৎসাহ দিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়েও সরকারকে পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণা বিষয়েও এ কমিটি সরকারকে পরামর্শ দেবে। এর বাইরে গত ২৮ মার্চ আটজন জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞকে নিয়ে সরকার যে কমিটি করেছে, সেই কমিটি এবং নতুন কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো কমিটির এক বা একাধিক সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারবে। নতুন কমিটি চাইলে নতুন সদস্য নিতে পারবে।
এ কমিটিকে কভিড-১৯ প্রতিরোধ এবং হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধি বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব চিকিৎসক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে পরামর্শ এবং স্বাস্থ্যসেবা দানকারী চিকিৎসকসহ অন্যদের উৎসাহ দিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়েও সরকারকে পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণা বিষয়েও এ কমিটি সরকারকে পরামর্শ দেবে। এর বাইরে গত ২৮ মার্চ আটজন জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞকে নিয়ে সরকার যে কমিটি করেছে, সেই কমিটি এবং নতুন কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো কমিটির এক বা একাধিক সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারবে। নতুন কমিটি চাইলে নতুন সদস্য নিতে পারবে।
